সিলেটকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে: পর্যটনমন্ত্রী
স ল টক আন তর জ ত – মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে কালিঘাট ইউনিয়নের ফুলছড়া চা-বাগান মাঠে সংগঠিত হারমনি ফেস্টিভ্যাল সিজন-২ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বক্তব্য রাখেন। তিনি ঘোষণা করেন যে সিলেট আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা আছে। সরকারের নতুন পর্যটন উন্নয়ন পরিকল্পনায় সিলেটকে সর্বোচ্চ প্রাথমিকতা দেওয়া হচ্ছে।
সিলেটের বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার কাজ শীঘ্রই শুরু হবে। তিনি জানান যে এ অঞ্চলের অন্যান্য বিমানবন্দর উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বর্তমান সরকার পর্যটন খাতকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করছে।
“বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি তার বৈচিত্র্য। ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতি ও জনগোষ্ঠীর ভিন্নতা দেশকে বিভক্ত করেনি; বরং আরো সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করেছে। শ্রীমঙ্গল দেশের অন্যতম বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক অঞ্চল। এখানে প্রায় ২৬টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করছে। তাদের ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও শিল্পকলা দেশের জাতীয় সংস্কৃতির প্রতিষ্ঠা করেছে।”
পর্যটনমন্ত্রী আরো বলেন যে কমিউনিটি-ভিত্তিক পর্যটন, এথনিক ট্যুরিজম এবং টেকসই পর্যটনের বিকাশে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পর্যটনের মাধ্যমে কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে।
অনুষ্ঠানের অংশগ্রহণকারীরা
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং পররাষ্ট্র, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম. নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মোল্লা, সিলেট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি মো. মাইনুল হাসান, সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি ড. মো. জিল্লুর রহমান, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল, পুলিশ সুপার মো. মনিরুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার। পর্যটনমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে তিন দিনব্যাপী হারমনি ফেস্টিভ্যাল সিজন-২ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। খাসিয়া, মণিপুরি, ত্রিপুরা, গারো, সাঁওতাল, ওরাও, মুন্ডা, খাড়িয়া, ব
