৬০ একর ক্ষেতে ধরেনি মিষ্টি কুমড়া, বড় ক্ষতির মুখে কৃষক
৬০ একর ক ষ ত ধর ন – বোদা উপজেলার লাঙ্গল গ্রামে কৃষক মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেনের খাস সমস্যা হয়েছে ক্ষেত্রে মিষ্টি কুমড়া চাষ করার সময়। তিনি ভাড়া নিয়ে মোট ৬০ একর জমি ব্যবহার করেছিলেন যার জন্য ব্যাংকের ঋণ প্রাপ্ত হন এবং দোকান থেকে কীটনাশক এবং সার কিনেছিলেন। প্রাথমিকভাবে এই ক্ষেতে বিশেষ করে হাইব্রিড জাতের মিষ্টি কুমড়া চাষ করে তিনি আশা করেছিলেন যে তার অর্থনৈতিক স্থিতি আরও উন্নত হবে। তবে তাঁর ক্ষতির মুখে পড়া হয়েছে প্রকৃতির সহায়তা ছাড়া। বিশেষ করে হালকা হাওয়া এবং অপরিকল্পিত পরিস্থিতি তাঁর উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্থ করেছে যা আরও বেশি ক্ষতি ঘটায়।
প্রকৃতি পরিবর্তনের প্রভাব বৃদ্ধি পেলো
সাজ্জাদ হোসেনের ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার প্রধান কারণ হলো হালকা হাওয়া এবং অপরিকল্পিত আবহাওয়া পরিস্থিতি। তিনি আশা করেছিলেন যে হাইব্রিড জাতের মিষ্টি কুমড়া চাষ করায় বাজার বাজারে তার পণ্য বিশেষ করে সহস্র টাকা করে বিক্রি করা হবে। তবে ক্ষেত্রে মিষ্টি কুমড়া চাষ করে তিনি বিশেষ করে হালকা হাওয়া এবং মাটির অপরিকল্পিত পরিবর্তনের কারণে ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বৃদ্ধি পাওয়া কীটনাশক এবং সার ব্যয় ক্ষেত্রে মিষ্টি কুমড়া চাষের জন্য সাজ্জাদ হোসেন কিছুটা মুখ্য কারণ বিশ্লেষণ করেছেন। তিনি বলেছেন, “এই মোট ৬০ একর ক্ষেতে মিষ্টি কুমড়া চাষ করার পর আমার আশা ছিলো যে বেশি ক্ষতি হবে না। কিন্তু প্রকৃতি আমার সমস্যা করেছে সে ক্ষতির বিপর্যয় ঘটায় আমার দাবি বিশেষ করে প্রকৃতি বিরোধী আবহাওয়া কারণে তার খাস ক্ষতির মুখে পড়েছি।”
ক্ষেত্রে মিষ্টি কুমড়া চাষ করে সাজ্জাদ হোসেন আরও ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। তিনি প্রতিদিন মিষ্টি কুমড়া চাষ করে আরও বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ব্যাংকে ঋণ প্রাপ্ত করে তিনি মিষ্টি কুমড়া চাষ করার পর প্রতিদিন নির্দিষ্ট সার এবং কীটনাশক ব্যয় করে তার জমি ক্ষেত্রে মিষ্টি কুমড়া চাষ করে অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তিনি বলেছেন, “এই মিষ্টি কুমড়া চাষ করা ছাড়া আমি ক্ষতির মুখে পড়তে পারিনি কিন্তু ক্ষেত্রে মিষ্টি কুমড়া চাষ করে আমি বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছি।”
আর্থিক আবহাওয়া পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়া
সাজ্জাদ হোসেনের সমস্যা বিশেষ করে মিষ্টি কুমড়া চাষের ক্ষেত্রে হালকা হাওয়া এবং অপরিকল্পিত পরিস্থিতির কারণে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি সার এবং কীটনাশক কিনে ক্ষেত্রে মিষ্টি কুমড়া চাষ করেছিলেন যার জন্য আরও বেশি ক্ষতি হয়েছে। তাঁর ক্ষেত্রে মিষ্টি কুমড়া চাষ করার পর এই ক্ষতি ঘটেছে। তিনি বলেছেন, “আমি যে ক্ষেত্রে মিষ্টি কুমড়া চাষ করছিলাম সেটি আমার মুখ্য আশার জন্য ছিলো। কিন্তু হালকা হাওয়া এবং অপরিকল্পিত আবহাওয়া পরিস্থিতি আমার সমস্যা করেছে সে ক্ষতির মুখে পড়েছি।”
৬০ একর ক্ষেত্রে মিষ্টি কুমড়া চাষ করা ছাড়া সাজ্জাদ হোসেন বিশেষ করে ক্ষতি হতে পারতো না। কিন্তু আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে তার ক্ষেত্রে মিষ্টি কুমড়া চাষ করে ক্ষতি হয়েছে।
