Uncategorized

অবাস্তব লক্ষ্য নির্ধারণ বা কাগুজে পরিকল্পনা করা হবে না: তিতুমীর

অবাস্তব লক্ষ্য নির্ধারণ বা কাগুজে পরিকল্পনা করা হবে না: তিতুমীর

অব স তব লক ষ য ন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, “অতীতে অবাস্তব লক্ষ্য নির্ধারণ বা কাগুজে পরিকল্পনা করা হবে না।” তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার মূল কথা হলো স্থায়ী ও অপরিহার্য লক্ষ্যের বাস্তবায়ন করা। তিতুমীর কর্তৃক উল্লেখ করা হয়েছে যে কোনও পরিকল্পনা সবসময় বাস্তব চাহিদা এবং সাধ্য সীমার মধ্যে পরিস্থিতি এবং উদ্যোগের মিশ্রণ হিসেবে প্রস্তুত হবে না। তার মতে লক্ষ্য স্থাপন করতে হবে কাজের গুরুত্ব এবং প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত প্রয়োজন অনুযায়ী, নয় কেবল সংখ্যাগুলোর আকর্ষণে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের মতামত

তিতুমীর বলেছেন যে অবাস্তব লক্ষ্য নির্ধারণ হলো দীর্ঘ মেয়াদে উন্নয়নের প্রক্রিয়া অগ্রাধিকার প্রদানের একটি সংকট। তিনি আরও বলেছেন যে কাগুজে পরিকল্পনা করা হলে বাস্তব চাহিদা অস্পষ্ট হয়ে যেতে পারে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্থাগুলো কার্যকর করা কঠিন হয়ে পড়ে। তিনি এটি পরিষ্কার করে বলেছেন যে লক্ষ্য নির্ধারণ করার সময় স্থায়ী ও সম্ভবপর অবাস্তব লক্ষ্য করে না বাস্তব পরিবেশের প্রতি দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন। প্রসঙ্গত তিনি মন্তব্য করেছেন যে কাগুজে নির্ধারিত লক্ষ্যগুলি অপেক্ষাকৃত বেশি বিপদ ঘটাতে পারে, যেহেতু সেগুলো কাজের স্বাভাবিক সীমার বাইরে থাকে।

অবাস্তব লক্ষ্যের প্রতি দৃষ্টি দেওয়ার প্রয়োজন

অবাস্তব লক্ষ্য নির্ধারণ হলো আর্থিক ও পরিকল্পনা ক্ষেত্রে সাধারণ সমস্যার একটি বিশেষ রূপ। প্রায়শই সরকার বা প্রতিষ্ঠানগুলো আপাতত বৃহৎ লক্ষ্যের আকর্ষণে পড়ে এবং তা পরিচালনা করার সময় তার প্রাপ্তি মূল্যবান করা হয়। তিতুমীর কর্তৃক উল্লেখ করা হয়েছে যে লক্ষ্য নির্ধারণের সময় প্রতিষ্ঠানের অপরিহার্য বাস্তব পরিস্থিতি এবং দীর্ঘ মেয়াদে সম্ভবপর কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেছেন যে এই বিষয়টি বিশেষ করে কৃষি ও উপকরণ ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, যেহেতু প্রতিষ্ঠানগুলো সেগুলো কার্যকর করার জন্য সময় ও সম্পদ খরচ করতে হয়। এই অবাস্তব লক্ষ্যগুলো কার্যকর হয় না এবং সেগুলো অনেক সময় উদ্যোগ সম্পন্ন করতে গৃহীত করা হয়।

অবাস্তব লক্ষ্য নির্ধারণের ফলে ব্যয় কম হয় না, বরং অপেক্ষাকৃত বেশি হয়ে যেতে পারে। তিতুমীর কর্তৃক উল্লেখ করা হয়েছে যে অবাস্তব লক্ষ্য স্থাপন করে অপরিহার্য সম্ভাবনা বাস্তবায়নের দিকে দৃষ্টি নেওয়া হয়। একটি সম্ভাবনা সম্পূর্ণ করা যেতে পারে কিন্তু অবাস্তব লক্ষ্য কার্যকর হয় না। পরিকল্পনার দরকার হয় যেন এটি সম্পূর্ণ করা যায় এবং প্রতিষ্ঠানের বাস্তব চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হয়। তিনি মন্তব্য করেছেন যে অবাস্তব লক্ষ্য স্থাপন হলো বিনা কারণে সংখ্যাগুলোর উপর ভর দেওয়া।

“এটি আমাদের দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের প্রক্রিয়া বাধাগুলো বাড়িয়ে দেয়। কাগুজে লিখিত লক্ষ্য কাজে না পরিণত হলে তা বিপদের কারণ হতে পারে।” – তিতুমীর এটি আরও জোর দিয়ে বলেছেন।

অবাস্তব লক্ষ্য নির্ধারণের সময় কাজে নিয়োগ করা হয় না বরং সেগ�

Leave a Comment