পেঁয়াজ-আদার বাজর ঊর্ধ্বমুখি, স্বস্তি নেই ডিম-সবজিতে
প য় জ আদ র ব জর – ঈদুল আজহার আগমনের সামনে রাজধানীর কাপ্তান বাজার ও রায়েরবাগ বাজারে পেঁয়াজ এবং আদার বাজর ঊর্ধ্বমুখি হচ্ছে। চাহিদার চাপ কারণে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে যেখানে ডিম এবং সবজি দাম হ্রাস পেয়েছে। গত কয়েক মাসে বিশ্বব্যাপী খাদ্য চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে বাংলাদেশে কৃষি উৎপাদনের পরিমাণ কমে গেছে যা মূল্য বৃদ্ধির প্রধান কারণ। এই সময়ে পেঁয়াজ এবং আদার বাজর উন্নতি দেখা গেছে যেখানে ডিম এবং সবজি দাম কিছুটা স্থিতিশীল হয়ে আসছে।
পেঁয়াজ ও আদার দাম বৃদ্ধির কারণ
পেঁয়াজ ও আদার বাজর ঊর্ধ্বমুখি হওয়ার পিছনে দুটি মূল কারণ থাকছে। প্রথমত, শীত ঋতুতে বীজ রোপণের প্রক্রিয়া অগ্রগতি নিয়ন্ত্রিত হয়েছে যেখানে সমুদ্র থেকে বিদেশী পেঁয়াজ আমদানি কমে গেছে। রাজধানীর কাপ্তান বাজারে পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজি ২০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আদার দামও একই হারে বৃদ্ধি ঘটছে। বাজর ঊর্ধ্বমুখি হওয়া কারণে বিশেষ করে গরীব পরিবারগুলি খাবার খরচে বেশি ব্যয় করতে বাধ্য হচ্ছে। পেঁয়াজ এবং আদার বাজর ঊর্ধ্বমুখি হওয়া যে আন্তর্জাতিক সমুদ্র গতিবিধির প্রভাবে হয়েছে তা অনুমান করা হচ্ছে। অনেক খাদ্য আমদানি করার জন্য সমুদ্র যাতায়াতের সময় বৃদ্ধি হয়েছে যা সরাসরি দাম বৃদ্ধির দিকে পরিচালনা করে। সবজি এবং ডিমের দামের পরিবর্তন হওয়া সত্ত্বেও পেঁয়াজ-আদার বাজর ঊর্ধ্বমুখি হওয়া প্রায় স্থায়ী কারণ করেছে।
ডিম এবং সবজি দামে পরিবর্তনের পটভূমি
বিপরীত পরিস্থিতিতে ডিম এবং সবজি দাম কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে। ডিমের দাম প্রতি ডজন ১৫০ টাকার বেশি হয়েছে যেখানে সবজি দাম কিছুটা কমে আসছে। বিশেষ করে পালাবাজি সবজি যেমন কেজিপ্রতি ৭০-৮০ টাকার মধ্যে নেমে আসছে তা খাদ্য আমদানি ও উৎপাদনের সমান হারে বৃদ্ধি ঘটছে। বাজারের প্রতিযোগিতা ও বিশ্বব্যাপী খাদ্য সরবরাহ অবস্থা এই দাম পরিবর্তনের পিছনে থাকছে। এই সময়ে ডিম এবং সবজি দাম বিপর্যয়ের কারণে পেঁয়াজ-আদার বাজর ঊর্ধ্বমুখি হওয়ার চেয়ে কম প্রভাব ফেলছে।
খাদ্য বাজারে দাম বৃদ্ধি কারণে বিপন্নতা বৃদ্ধি
পেঁয়াজ ও আদার বাজর ঊর্ধ্বমুখি হওয়া বিশেষ করে বেড়ানো সমস্যার মূল কারণ হিসেবে উঠছে। খাদ্য পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির ফলে গরীব বা মাঝারি আয়ের মানুষ খাবার খরচে বেশি পরিশ্রম করতে বাধ্য হচ্ছে। পেঁয়াজ এবং আদার বাজর ঊর্ধ্বমুখি হওয়া যে খাদ্য আমদানি বন্ধ হওয
