চর অন হ র অর ধ হ – পাবনার বেড়া উপজেলার একটি অবহেলিত বৃদ্ধা প্রতিদিন আহার বিহীন জীবন কাটছে
অনাহারে চরে অকাল মৃত্যুর ভয় ছাড়া থাকেন নুরজাহান বেগম
চর অন হ র অর ধ হ – পাবনার বেড়া উপজেলার সদর থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে পেঁচাকোলা ঘাটে একটি ছোট খুপরি ঘরে অকালে জীবন কাটছে নুরজাহান বেগম। তাঁর স্বামী জয়নাল আবেদীন এবং ছেলে বালেক দুই ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে গেছে, যার পর থেকে তিনি চর অন হ র অর ধ এর মধ্যে একা থেকে বসবাস করছেন। স্থানীয়দের মতে তাঁকে কেউ সহায়তা করছে না এবং তাঁর কোনও খাবার সরবরাহ করে থাকে না। এই বিষয়টি জানা ছিল না বলে মারা গেলে কেউ তাঁর বিষয়টি জানবে কি না সেটা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
নুরজাহান বেগম জানান, তাঁর ছেলে বালেক এক বছর আগে মৃত্যুবরণ করেছেন। বর্তমানে তিনি কেবলমাত্র তাঁর মাতাল বোনকে নিয়ে চর অন হ র অর ধ এর সাথে থাকেন। তাঁর দুপুরে খেয়েছেন সামান্য ভাত এবং আলু ভর্তা, কিন্তু রাতে তাঁর খাওয়া না খাওয়া করে জীবন কাটছে। স্থানীয়দের মতে, তাঁর খোঁজ নেওয়া বা সাহায্য করার কেউ নেই।
বৃদ্ধার জীবন থেকে আরও খুশি করছে বিস্মিত না হয়ে তাঁর পরিবার এবং সমাজের অবহেলা
বেড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তৌহিদুজ্জামান জানান, নুরজাহান বেগমের বিষয়টি তিনি জেনেছেন এবং সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তাঁকে আরও খুজে বার করা হবে। অন্যদিকে বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনাল্ট চাকমা জানান, নুরজাহান বেগমের বিষয়টি তিনি জানেন না এবং দ্রুত খোঁজ নিয়ে সে প্রতিদিন আহার বিহীন জীবন কাটাচ্ছেন বলে মনে হচ্ছে।
তাঁর দুপুরে খাবার খাওয়া প্রতিদিন নিয়মিত হচ্ছে না। কেউ তাঁর জন্য খাবার নিয়ে আসছে না বলে স্থানীয়রা জানান। চর অন হ র অর ধ এর অবস্থার কারণে তাঁর খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা হয়নি। তাঁর পরিবারের সদস্যদের সাথে সংযোগ না থাকার কারণে এই অবস্থা বর্তমান।
“বিষয়টি জানা ছিল না। দ্রুত খোঁজ নিয়ে ওই বৃদ্ধার পাশে দাঁড়াতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা করা হবে,” রুনাল্ট চাকমা বলেন।
তাঁর দুপুরে খেয়েছেন কয়েক কাপ ভাত আর কয়েক টুকরা আলু। ইফতারে কী খাবেন সে প্রশ্নের উত্তরে নুরজাহান বেগম বলেন, “রাতে যে ভাত বেঁচে ছিল, তা পানিতে ভিজিয়ে রেখেছি, সেটাই দিয়ে ইফতার করব।” তাঁর জীবন কোনও উপকার বা আশা ছাড়া চলছে।
চর অন হ র অর ধ হ এর কারণে এই বৃদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সাথে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এই অবস্থার সম্পূর্ণ পরিচয় স্থানীয়রা জানেন। তাঁদের মতে এই কারণে তাঁর খোঁজ নেওয়া কঠিন হয়ে গেছে। এ বিষয়ে স
