১৪তম সুকান্ত মেলা গোপালগঞ্জে পুনঃ প্রারম্ভ হয়েছিল
গ প লগঞ জ ন ন আয় – গোপালগঞ্জে নানা আয়োজনে চলমান ১৪তম সুকান্ত মেলা বাংলা সাহিত্যের সম্পদ ও স্মৃতির সাথে সংশ্লিষ্ট হওয়া সাধারণ সাংস্কৃতিক উৎসব হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল। এ মেলার আয়োজনে গোপালগঞ্জের স্থানীয় সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিষ্ঠানগুলি এবং জেলা প্রশাসন একত্রে অংশ গ্রহণ করেছিল। এ মেলার প্রধান লক্ষ্য ছিল কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্ম ও কর্মজীবনের বিষয়ে স্মৃতি জাগানো এবং সাহিত্যিক পরিবেশের সৃষ্টি করা। মেলার আয়োজনে বিভিন্ন জায়গায় সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক কর্মসূচি পরিচালিত হয়েছিল, যা গোপালগঞ্জের বাসিন্তে আরও বেশি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল।
আয়োজনের প্রারম্ভ ও মুখ্য অনুষ্ঠান
মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসনের উপসহকারী মুখ্য কর্মকর্তা সুরেন্দ্রনাথ চৌধুরী। তিনি এ উপলক্ষে বাংলা সাহিত্যের অবদান সম্পর্কে বলেন, “গোপালগঞ্জে নানা আয়োজনে সুকান্ত মেলার আয়োজন বাংলা সাহিত্যের অপর সম্পদ সম্পর্কে জনগণের জাগরণ ঘটানোর উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল। মেলার মাধ্যমে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জীবনের প্রতিটি পর্যায় পরিচিত হয়েছে এবং তাঁর স্মৃতি আমাদের সাহিত্য গৌরবের অন্তর্গত হয়েছে।” মেলার প্রথম দিন গোপালগঞ্জের প্রাচীন গ্রামে চালু হয়েছিল এবং পরবর্তী দিনগুলি আরও বিশাল সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও উৎসবের সাথে পূর্ণ হয়েছিল।
“গোপালগঞ্জে নানা আয়োজনে সুকান্ত মেলার মাধ্যমে আমাদের সাহিত্য গৌরব বৃদ্ধি পেয়েছে। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের স্মৃতি গোপালগঞ্জের এ মেলায় স্থায়ী হয়েছে।”
মেলার প্রধান অংশ হিসেবে স্মৃতিসৌধ প্রদর্শনী, বিশেষ অনুষ্ঠান এবং সাংস্কৃতিক কর্মসূচি চালু হয়েছিল। সাধারণ কবি এবং লেখকদের সাথে সাহিত্যিক ক্ষেত্রে বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বগুলি মেলার মধ্যে অংশ গ্রহণ ক
