News

দায়িত্ববোধের সেঞ্চুরিতে দেদীপ্যমান লিটন

লিটনের সেঞ্চুরি বাংলাদেশকে স্বাভাবিক ইনিংস বানাল

দ য় ত বব ধ র স – লিটন আহমদের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরি পাকিস্তানের বিপক্ষে সম্পূর্ণ নিজের অপরাজিত দায়িত্বে বানানো হয়েছে। সিলেট ক্যাপসুলে সংবাদ কর্মীদের প্রশ্ন উত্তরে লিটন বলেছেন, প্রারম্ভে খুররাম শাহজাদের বলে যেতে কীভাবে তার দুর্দান্ত স্থান পেয়েছিলেন সেটা সম্পূর্ণ বাউন্সার ছিল।

বাংলাদেশের টেস্ট ইনিংসে লিটনের দায়িত্ববোধ অপরাজিত সেঞ্চুরি প্রকাশ করেছে। ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য রেকর্ডটি তিনি পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় মুখোমুখি ম্যাচে রেকর্ড করেছেন। এই ইনিংসে তার ভাগ্য কাজে লেগেছে, কিন্তু দুই বছর আগে রাওয়ালপিণ্ডিতে সেঞ্চুরি আজকের সেঞ্চুরির সাথে অনেক মিল ছিল।

পাকিস্তানের বিপক্ষে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৬ রান তুলতে ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সেখান থেকে লিটন ও মিরাজ ১৬৫ রানের জুটি গড়েছিলেন। সে সময় তাদের স্কোর ছিল ৫ উইকেটে ২৪। মুশফিকুর রহিম সঙ্গে দাঁড়িয়েছিলেন কিন্তু আজ লিটন নিজের দায়িত্বে নিয়েছেন সেঞ্চুরির স্বর্গে।

লিটনের সেঞ্চুরি মধ্যে অবশ্য একটি বৈসাদৃশ্য রয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘‘রাওয়ালপিণ্ডিতে সে ইনিংসে প্রায় ৮০ রান পর্যন্ত খুব স্বাভাবিকভাবে প্রোগ্রাস করেছিলাম, শেষ ২০ রান আমাকে কষ্ট করে করতে হয়েছিল। কিন্তু আজ সে ইনিংসে আমি দুই-তিন রানে ছিলাম, যখন তাইজুল ভাই স্ট্রাইকে আসে তখন আমাদের স্কোর ছিল প্রায় ১১০ রানের মতো।’’

টেস্ট ক্রিকেটে তার মনে হয় নিজেকে নিয়ে তার প্রধান লক্ষ্য ছিল দলের জন্য রান বোর্ডে বৃদ্ধি করা। ওপর থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, বল দিয়ে সরাসরি রানের জন্য খেলতে। তাইজুল, তাসকিন ও শরিফুলের সাথে সমন্বয়ে তিনি উইকেট আগলে রেখেছেন যুদ্ধের প্রেরণা। সপ্তম উইকেটে তাইজুল ও লিটনের জুটি ৬০ রানের। তাদের মিলে বল খেলেছেন ১১৪টি। অষ্টম উইকেটে তাসকিন ও লিটন যোগ করেন ৩৮ রান। নবম উইকেটে শরিফুল ও লিটনের জুটি ৬৪ রানের।

‘‘টেস্ট ক্রিকেটে আমার ভূমিকা আলাদা। অনেক সময় আমাকে মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে ব্যাটিং করতে হয়। তখন মানসিকতাটা আলাদা ছিল। কিন্তু আমাদের টেইলে যারা ব্যাটিং করেছে, যেমন তাইজুল ভাই, তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ইসলাম এখন আর ওইভাবে শক্তিশালী নয়। আমি প্রতি ওভারে চার-পাঁচ বল তা�

Leave a Comment