তার চুরি সেতুতে বাতি জ্বলছে না: কুমারখালী এলাকার বাসিন্দারা রাতে সড়ক অন্ধকারে আসছেন
ত র চ র স ত ত – তার চুরি সেতুতে বাতি জ্বলছে না, এই পরিস্থিতি কুমারখালী-যদুবয়রা সড়কে বাড়ছে। নদীর ওপর নির্মিত সেতুটির বৈদ্যুতিক কেবল চুরি হওয়ার পর থেকে রাতে অন্ধকারে পরিচালিত হচ্ছে। এলাকার বাসিন্দারা আরো প্রমাণ দিয়েছেন যে, সেতুতে বাতি বন্ধ হওয়ার ফলে রাতে ছিনতাই আশঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে এবং চলাচলে ঝুঁকি বাড়ছে। বৈদ্যুতিক বিল বকেয়া থাকায় সেতুতে বাতি চালু করার কাজ দেরি হয়েছে, যার ফলে কিছু বাতি পুনঃস্থাপন করা হয়েছিল কিন্তু সেগুলো চুরি হওয়ার পর থেকে কাজ করছে না।
সেতুর নির্মাণ ও বিল বকেয়া পরিস্থিতি
২০২৫ সালের ২৬ জুলাই রাতে সেতুটি থেকে তার চুরি হয়েছে, ফলে সেতুতে সব বাতি বন্ধ রয়েছে। বিল বকেয়া থাকায় সেতুর বাতি চালু করার কাজ অনুমোদন পায়নি, যার প্রভাবে রাতে সড়ক অন্ধকারে আসা কুমারখালী এলাকার বাসিন্দারা সমস্যা প্রকাশ করছেন। এটি নির্মিত হয়েছিল প্রায় চার লাখ টাকার খরচে, কিন্তু সরকার দ্বারা নির্মাণ কার্যক্রমে বিল বকেয়া থাকার কারণে সেতুটি রাতে অন্ধকারে পরিচালিত হচ্ছে।
“তার চুরি হওয়া পর্যন্ত সেতুতে বাতি চালু হয়নি, কিন্তু রাত ১০টা বাজলেই মাদকসেবীদের আড্ডা বসে। তাদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি থাকতে পারে কিন্তু কেন তারা গ্রেপ্তার করা হয় না?”
বরাদ্দের জন্য কুমারখালী এলজিইডির প্রকৌশলী নাজমুল হক জানায় যে, সেতুর জন্য মন্ত্রণালয়ে চাহিদা পাঠানো হয়েছে। সরকার বা বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ কুমারখালী এলাকার সেতুতে বাতি চালু করার জন্য মাসে দুই লাখ টাকা বিল গুণতে হয়। কিন্তু পরিস্থিতি এখনও অবনতি চলছে এবং বাতি চালু করার প্রক্রিয়া অগ্রগতি পেয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আরও কার্যক্রম দাবি করছেন বাসিন্দারা। এটি নির্মাণ করে ন্যাশনটেক কমিউনিকেশন ও রানা বিল্ডার্স, সেতুটি দিয়ে চলাচল শুরু হয় ২০২৩ সালের ২৮ জুন।
তার চুরি সেতুতে বাতি জ্বলছে না এই দুর্স্থিতি কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আখতার স্বীকার করেন। তিনি জানান যে, জনস্বার্থে ইতোমধ্যে চারটি সোলার বাতি স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু এই বাতি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে কোনও প্রক্রিয়া চলছে না বলে আশঙ্কা হচ্ছে।
বাসিন্দার অভিযোগ ও আকাঙ্ক্ষা
তার চুরি সেতুতে বাতি জ্বলছে না এই সমস্যার কারণে এলাকার বাসিন্দারা বেশ কয়েক দিন ধরে সড়ক চলাচলে অসুবিধা সৃষ্টি করছেন। এই সেতু দিয়ে সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হওয়া চলাচল এবং রাতে অন্ধকারে পরিচালনা জনস্বার্থের প্রতি কুমারখালী বাসিন্দারা নানা আকাঙ্�
