News

কাপাসিয়ায় মিলেছে মসলিনের প্রাণ ‘ফুটি কার্পাস’, সংরক্ষণে প্রশাসনের উদ্যোগ

ফুটি কার্পাসের ঐতিহাসিক স্থান এবং মসলিন শিল্পের প্রাণ

ক প স য য ম ল – কাপাসিয়ায় মিলেছে মসলিনের প্রাণ—ফুটি কার্পাস। ঐতিহাসিকভাবে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও এলাকাকে কেন্দ্র করে মসলিন শিল্পের বিকাশ ঘটেছিল। ফুটি কার্পাস তুলার আঁশগুলি দ্বারা তৈরি হওয়া সেই মসলিন ছিল সারাদুনিয়া জনপ্রিয় কাপাসিয়া শিল্পের মূল অংশ। এই বিশেষ জাতের তুলা ছাড়া প্রকৃত ঢাকাই মসলিন তৈরি করা সম্ভব ছিল না। ফুটি কার্পাস ছিল এই শিল্পের কেন্দ্রবিন্দু এবং এর স্বাক্ষর ছিল বিশ্ব ঐতিহাসিক শিল্পের অন্যতম প্রতীক। স্থানীয় ইতিহাসে এটি হারিয়ে যাওয়ার আগে নারায়ণগঞ্জে বিশেষ সুযোগ ছিল ফুটি কার্পাস থেকে তৈরি মসলিনের সুন্দর কাজে। এটি হারিয়ে যাওয়া ফুটি কার্পাসের বিপদ ছিল পরিবর্তনশীল সমাজ ও শিল্পের প্রক্রিয়ার ফল। এই বিশেষ তুলার সংরক্ষণ প্রকল্প আগে কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল মসলিন শিল্পের সম্প্রসারণে এবং স্থানীয় সংস্কৃতির সংরক্ষণে।

ফুটি কার্পাসের স্বাক্ষর ছিল বিশ্ব ঐতিহাসিক শিল্প

ফুটি কার্পাসের কার্যকারিতা ছিল মসলিন শিল্পের প্রতিটি প্রাণ। এই তুলার আঁশগুলি অত্যন্ত সুক্ষ্ম ছিল এবং তা কাপাসিয়া সম্প্রদায়ের প্রতিটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় অপরিহার্য। নারায়ণগঞ্জে ফুটি কার্পাস তৈরি করতে হাজার বছর ধরে পরিবার পরিবারে কাজ করা হয়েছিল। ফুটি কার্পাস দ্বারা তৈরি মসলিন বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হত এবং এটি ছিল সংস্কৃতির প্রতিটি স্থানে মূল্যবান। বিশেষ করে ফুটি কার্পাসের গুরুত্ব ছিল ঢাকাই মসলিন প্রক্রিয়ায় বিশ্বের প্রথম প্রতিটি সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা ছিল সেই তুলার সাথে যুক্ত। এটি মানুষের প্রতিটি আঁশে ছিল সম্প্রদায়ের জীবন এবং পরিবার গঠনের সাথে সংযুক্ত।

ফুটি কার্পাসের আঁশ ছিল এমন সুন্দর গুণ যে এটি ছিল মসলিন শিল্পের প্রাণ। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও এলাকায় এই তুলার সংগ্রহ ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ফুটি কার্পাস এলাকার প্রকৃতি থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল এবং কার্যকারী প্রক্রিয়ায় আহুত হয়েছিল। তবে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের সময় কাপাসিয়া শিল্পে বিশেষ প্রতিটি সংস্কৃতি বিপন্ন হয়েছিল। বিশেষ করে ফুটি কার্পাসের সংরক্ষণ বিপদের কারণ ছিল দেশীয় তাঁতশিল্পের অবহেলা এবং শিল্পবিপ্লবের প্রভাব। এই কারণে কাপাসিয়ায় প্রকৃত মসলি�

Leave a Comment