সরকারি ব্যয়ে নিয়ন্ত্রণের অভাব, সম্পূরক বাজেটই তার প্রমাণ: নজরুল
সরক র ব যয় ন য়ন ত – বিরোধীদলের সংসদ সদস্য জিএম নজরুল ইসলাম বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণের অভাব বিষয়ে কঠোর আপত্তি জানান। তিনি দাবি করেন যে সরকার সংসদে ব্যয় বৃদ্ধি করার প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ বাজেট হিসেবে প্রমাণ দেখায়। তাঁর মতে সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ প্রণোদনা ও সংকুচিত বাজেটের মধ্যে ব্যবধান রয়েছে এবং এটি সরাসরি পরিচালনা করা হচ্ছে। আলোচনার সময় নজরুল ইসলাম বলেন, ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি পরিস্পষ্ট হয়ে উঠছে এবং সংকুচিত বাজেটের প্রমাণ হিসেবে সম্পূর্ণ বাজেট দাবি করেন।
সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ অভাবের সমস্যার সারমর্ম
নজরুল ইসলাম জানান যে সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণের অভাব সামগ্রিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতার উপর গুরুতর প্রভাব ফেলছে। তিনি দাবি করেন যে সরকার সরাসরি ব্যয় বৃদ্ধি করছে কিন্তু বাজেটে সেটি নিয়ন্ত্রিত করা হচ্ছে না। নিয়মিত ব্যয় কমিয়ে আনার চেষ্টা দেখা যাচ্ছে বলে তিনি বলেন, কিন্তু সে ব্যাপারে কোনও সুষ্ঠু পরিচালনা দেখা যাচ্ছে না। বিশেষ করে সংকুচিত বাজেট বা সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণের প্রমাণ হিসেবে সম্পূর্ণ বাজেট দাবি করেন তিনি। তাঁর আবেদন অনুযায়ী, সরকার স্বীকার করতে হবে যে তারা ব্যয়ে নিয়ন্ত্রণের মূল্যায়ন করছে না এবং দুর্বল সামগ্রিক পরিচালনা করছে।
তিনি বলেন যে সরকারি ব্যয় বৃদ্ধি পেলে দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল থাকতে পারে না। ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পূর্ণ বাজেটের মাধ্যমে সেটি প্রমাণ করা হচ্ছে। বিভিন্ন খাজনা ও সার্বিক সমস্যাগুলো কমাতে সরকারকে সংকুচিত বাজেটের মাধ্যমে কৃতিত্ব দেখাতে হবে। নজরুল ইসলাম জানান যে সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ অভাব তাদের সামগ্রিক পরিচালনার সম্পূর্ণ বাজেটের উপর ভিত্তি করে সংঘটিত হয়েছে।
সম্পূর্ণ বাজেট হিসেবে দাবির প্রমাণ
নজরুল ইসলাম সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণের অভাব সম্পূর্ণ বাজেটের মাধ্যমে প্রমাণ করা যায় বলে দাবি করেন। তিনি বলেন যে সরকার স্বীকার করেছে যে সরাসরি ব্যয় বৃদ্ধি হচ্ছে কিন্তু সেটি কোনও সংকুচিত বাজেট হিসেবে প্রমাণ করতে পারে না। বাজেট প্রস্তুত করা হয়েছে সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণের সামগ্রিক পরিচাল
