ইবি উপাচার্য ভিসির কাছে ছুটে যাওয়া বন্ধ করার আহ্বান জানালেন
সব ক জ ভ স র ক – ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক মতিনুর রহমান আবারও প্রতিটি অফিসের স্বাধীনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে সব কাজে ভিসির কাছে ছুটে যাওয়া বন্ধ করতে হবে এবং প্রতিটি অফিস নিজ নিজ দায়িত্বে কাজ সম্পন্ন করবে। এই নীতি দ্বারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি ও প্রশাসনিক কার্যপ্রণালী আরও সুসংগত হবে বলে তিনি আশা করছেন। তিনি মন্তব্য করেছেন যে ভিসি কেবল প্রতিষ্ঠানের পরিচালনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে থাকার পরিবর্তে প্রতিটি অফিস স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সক্রিয়তা বৃদ্ধি পাবে।
কারণ বিশ্লেষণ
ইবি উপাচার্য মতিনুর রহমান বলেছেন যে সব কাজে ভিসির কাছে ছুটে যাওয়ার কারণে অফিস স্তরের কর্মকর্তারা তাদের মূল দায়িত্ব থেকে অপসারিত হয়ে পড়ছেন। তিনি বৈশিষ্ট্য করেছেন যে প্রতিটি অফিসে যদি নিজেদের সম্পন্ন করতে পারে তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং কর্মীদের জ্ঞান ও কর্ম স্বাধীনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। অধ্যাপক রহমান মন্তব্য করেছেন যে ভিসি কেবল মূল পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন এবং অন্যান্য অফিসের কাজ সম্পূর্ণ ছুটে যাওয়া বন্ধ করা হবে। এই নীতি দ্বারা অফিস স্তরে কর্মকর্তাদের স্বাধীনতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তাদের প্রতিষ্ঠানের গতিশীলতা বৃদ্ধি করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস প্রশাসনিক কার্যপ্রণালী অনেক কালে ভিসি দ্বারা পরিচালিত হয়েছে। কিন্তু বর্তমানে অফিসের কর্মীদের কাছে কাজের দায়িত্ব নিয়ে চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি আরও বলেছেন যে প্রতিটি অফিস নিজ নিজ কাজের ক্ষেত্রে সুষ্ঠু পরিচালনা করলে বিশ্ববিদ্যালয় আরও কার্যকর হবে। সব কাজে ভিসির কাছে ছুটে যাওয়া বন্ধ করা দ্বারা প্রতিষ্ঠানের সক্রিয়তা ও উন্নয়নে ক্রমবর্ধমান প্রভাব ছড়িয়ে পড়বে। এই পরিবর্তন সম্পর্শিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গতিশীলতা বৃদ্ধি পেতে পারে।
সমাজে প্রতিক্রিয়া
ইবি উপাচার্যের আহ্বান সম্পর্শিত হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী কর্মীদের মধ্যে সমালোচনা ও সম্মান সম্পর্শিত হয়েছে। কিছু কর্মী মন্তব্য করেছেন যে সব কাজে ভিসির কাছে ছুটে যাওয়া বন্ধ করার নীতি দ্বারা কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে কিছু কর্মী আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে এই পরিবর্তন প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় করতে পারে না। কিন্তু উপাচার্য রহমান মন্তব্য করেছেন যে এই পরিবর্তন দ্বারা অফিস কর্মীদের স্বাধীনতা বৃদ্ধি করা হবে এবং সংস্কৃতি আরও বিকশিত হবে।
ভিসি এবং অফিস কর্মীদের মধ্যে সম্পর্শিত দায়িত্ব বিভাজন দ্বারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি অফিস নিজ নিজ ক্ষেত্রে কাজ করতে পারবে। এই পরিবর্তন দ্বারা অফিস কর্মীদের স্বাধীনতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তাদের প্রতিষ্ঠানের গতিশীলতা আরও ক্রমবর্ধমান হবে। তিনি আরও বলেছেন যে
