সংবিধান সংশোধন নয়, সংস্কারের জন্য কমিটি গঠন হলে বিবেচনা: শফিকুর রহমান
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা
স ব ধ ন স শ ধন – সংবিধান সংশোধন করা হবে না, বরং সংস্কারের কাজের জন্য আলাদা কমিটি গঠন করা হবে এমন পরিকল্পনা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, সংবিধান পরিবর্তনের প্রক্রিয়া যদি সংস্কারের জন্য আলাদা কমিটি করে পরিচালিত হয়, তবে সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি পরিষ্কার ও সংগঠিত ভাবে চালানো সম্ভব হবে। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে কমিটি সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কাজ করবে, যাতে পরিবর্তনের চাপ কমিয়ে আসা সম্ভব হয়।
সংবিধান সংশোধন এবং সংস্কারের পার্থক্য
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সংবিধান সংশোধন সরাসরি আইন পরিবর্তন বা গুরুতর ধরনের পরিবর্তন বোঝায়, যেখানে সংস্কারের কমিটি সাধারণ সংস্কার কাজ করবে। তিনি মনে করেন যে সংবিধান সংশোধন একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া হতে পারে, কিন্তু সংস্কারের জন্য কমিটি গঠন করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো কমিটিকে স্থানান্তরিত করা হলে সংসদের বাইরে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হবে না। যেমন সংবিধান সংশোধন হয় কোনও বিষয়ে দ্রুত পরিবর্তন করার জন্য, কিন্তু সংস্কারের কমিটি সামগ্রিক পরিকল্পনা গ্রহণ করতে সাহায্য করবে।
তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাব বিষয়টি সংস্কারের কমিটিকে নির্দেশনা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। এই কমিটি সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া গুরুতর ধরনের কাজগুলো কমিয়ে আসবে এবং এর সাথে সাথে সংবিধানের বিষয়গুলো পরিপূর্ণ করতে সাহায্য করবে। তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে অনেক সময় পরিবর্তনের চাপ দ্বারা দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়, কিন্তু সংস্কারের জন্য আলাদা কমিটি গঠন করা হলে তা পরিচালনা করা সহজ হবে।
সংবিধান সংশোধনের সম্ভাব্য প্রভাব
ডা. শফিকুর রহমান মনে করেন, সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া চালানো হলে সংসদের বাইরে কোনও সংস্কারের কমিটি গঠন করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, এই পদক্ষেপ সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো দ্রুত করা হবে এবং সংস্কারের কমিটি সেগুলো পরিচালনা করবে। তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধন করতে গিয়ে অনেক সময় কমিটি গঠন করা হয়, যাতে প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করা যায়।
তিনি মনে করেন যে সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া চালানো হলে সমাজের বিভিন্ন স্তরে প্রতিক্রিয়া পাওয়া যেতে পারে। সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সরকার কোনও প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারে, কিন্তু সংস্কারের কমিটি সংবিধান সংশোধনের গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো বিশ্লেষণ করবে। ত
