কাপ্তাই হ্রদে নিখোঁজ কিশোরের খবর প্রকাশ
ব ড় ত এস ক প ত – বেড়াতে এসে কাপ্তাই হ্রদে নিখোঁজ হওয়া কিশোর নবজিৎ চাকমা (১৭) এবং তার পিতা প্রদীপ চৌধুরী নিয়ে ঘটনাটি শনিবার (৩০ মে) দুপুরে ঘটে। তিনি রাঙামাটির সদর উপজেলার কাইন্দ্যারমুখ এলাকায় সাঁতার কাটতে নেমে পানিতে ডুবে গেছেন। খবর প্রকাশ হয়েছে যে নিখোঁজ কিশোর বিয়ের উপলক্ষে কাপ্তাই হ্রদে এসেছিলেন। সেই সময় তাঁর সাথে অন্যান্য বন্ধুদের মধ্যে ঘটনা ঘটে। কিশোরের বাড়ি খাগড়াছড়ির তেঁতুলতলা এলাকায় অবস্থিত।
সাঁতার কাটা থেকে নিখোঁজ হওয়ার পরিস্থিতি
রাঙামাটি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক নিউটন দাস জানান, দুপুরে ঘটনার খবর পেয়ে ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছে। কিন্তু বৃষ্টির কারণে হ্রদে স্রোত এবং কুঁড়ে পানি রয়েছে বলে অভিযান পরিচালনার জন্য বেগ পেতে হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, সাঁতার কাটার প্রক্রিয়ায় কিশোরটি হ্রদের মধ্যে প্রবেশ করে এবং তার পর তাঁকে নিখোঁজ করা হয়। বর্তমানে প্রায় সমস্ত ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে আসছে।
বালুখালী ইউপি চেয়ারম্যান অমর কুমার চাকমা উল্লেখ করেন, “বেড়াতে এসে কাপ্তাই হ্রদে তিনি বিয়ের উপলক্ষে সাঁতার কাটতে নেমেছিলেন। সেই সময় তাঁর পানিতে ডুবে গেছে। খবর পেয়ে আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং ফায়ার সার্ভিসের কাছে তথ্য প্রদান করেছি। অভিযানে বিশেষ করে কাপ্তাই হ্রদের জলের গভীরতা এবং প্রবাহের প্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে।”
আশাহীন পরিস্থিতি ও অভিযানের প্রক্রিয়া
স্থানীয় ব্যক্তিদের মতে, বেড়াতে এসে কাপ্তাই হ্রদে প্রবেশের সময় কিশোরটি প্রায় সম্পূর্ণ জল ভরা এলাকায় থাকার কারণে অভিযান অসুবিধাগ্রস্ত হয়েছে। কাপ্তাই হ্রদের প্রবাহ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি প্রবল হওয়ায় তার প্রতিশোধ গ্রহণের জন্য বেলাগুলি একে একে কাজে লাগানো হচ্ছে। খবর প্রকাশ হয়েছে যে নিখোঁজ কিশোরের বন্ধুদের প্রতিশোধ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং হ্রদের দিকে নিয়মিত সার্চ করা হচ্ছে।
“কাপ্তাই হ্রদে সাঁতার কাটতে নেমে পানিতে ডুবে গেছে। আমি খবর পেয়ে উপজেলা ও ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষকে জানাই। তারা ঘটনাস্থলে যোগ দিয়েছেন।”
রাঙামাটি ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা বেড়াতে এসে কাপ্তাই হ্রদে পান
