বিশ্বে প্রতি ৭০ জনের মধ্যে একজন জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত: জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী
ব শ ব প রত ৭০ জন – বিশ্বব্যাপী বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বর্তমানে কমপক্ষে ১১ কোটি ৭৮ লাখ পৌঁছেছে, যা বুঝায় প্রতি ৭০ জন মানুষের মধ্যে একজন আশ্রয়হীন হয়েছে। জাতিসংঘ রিপোর্টে বলা হয়েছে যুদ্ধ, সংঘাত এবং পরিবেশ পরিবর্তন বিশ্বব্যাপী বাস্তুচ্যুত সংখ্যাকে আরও বৃদ্ধি করছে। এই পরিস্থিতি অত্যধিক গুরুতর, বিশেষ করে বর্তমান সময়ে গোটাকতক দেশে সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রবণতা প্রতি ৭০ জনের মধ্যে একজন করে দেখা যাচ্ছে। এই রিপোর্ট অনুযায়ী সম্প্রতি প্রতি বছর বাস্তুচ্যুত সংখ্যা গৃহিত হচ্ছে অন্তত এক হাজার সাত কোটি লাখ এবং প্রতি দুই মাসে এই সংখ্যা প্রায় এক কোটি বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাস্তুচ্যুত মানুষের সামাজিক ও আর্থিক প্রভাব
বাস্তুচ্যুত মানুষের বৃদ্ধি হচ্ছে প্রতি ৭০ জনের মধ্যে একজন করে। এই সংখ্যার প্রভাব বিশ্বের প্রতিটি কোণে ছড়িয়ে পড়ছে। গৃহিত বাস্তুচ্যুত মানুষের মধ্যে অনেকে বাস্তু স্থান থেকে অপসারিত হয়েছে যুদ্ধের কারণে এবং কিছু বাস্তুচ্যুত মানুষ প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা অর্থনৈতিক মন্দা সৃষ্টি করেছে। অনেক সময় বাস্তুচ্যুত মানুষ বিভিন্ন স্থানে বসবাস করতে বাধ্য হয়েছে, যে স্থানগুলো তাদের বাস্তু অবস্থানের অস্থিতিশীলতা নিয়ে চিন্তা করতে হয়। এই পরিস্থিতি নির্মম করে মানুষের জীবনে স্থায়িত্ব হারাচ্ছে।
একটি সাংবিধানিক সংখ্যার কথা
“প্রতি ৭০ জনের মধ্যে একজন বাস্তুচ্যুত হচ্ছে যা জাতিসংঘের ডেটার ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছে।”
বিশ্বে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা কমপক্ষে দুই দশকের মধ্যে দ্বিগুণ হয়েছে। এই পরিবর্তনের কারণে একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে উঠেছে যে প্রতি ৭০ জনের মধ্যে একজন মানুষ অবস্থানহীন হয়ে পড়ছে। বাস্তু অবস্থানহীন মানুষদের আর্থিক অসহায়তা ও সামাজিক বিচ্ছিন্নতা বৃদ্ধি করেছে। এই পরিস্থিতির কারণে একটি সাংবিধানিক সংখ্যা হিসেবে বিশ্বের সামাজিক গোঁড়ামি ও আর্থিক সমস্যার বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে।
সবচেয়ে বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষ অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তান দেশে অবস্থিত। প্রতি ৭০ জনের মধ্যে একজন বাস্তু অবস্থানহীন হয়েছে যা বর্তমান সময়ে আশ্চর্যজনক। এই সংখ্যা দেখিয়ে বাস্তুচ্যুত মানুষদের জন্য একটি কমপক্ষে আমন্ত্রণ দেখা যাচ্ছে। গৃহিত অবস্থানহীন �
