নড়াইলে ১৭ বছর বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত শিক্ষক, তবুও ব্যাংক হিসাবে ঢুকছে বেতন
অনুপস্থিত শিক্ষকের বেতন সরকারি ব্যাংক হতে নিয়মিত ভাবে পৌঁছছে
নড় ইল ১৭ বছর ব দ য – নড়াইলের কালিয়া উপজেলার দত্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক পীযুষ কান্তি ঘোষের কাছে এখনও এমপিও’র বেতন-ভাতার প্রাপ্তি নিয়মিত হচ্ছে। তিনি বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলেও দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে তার বেতন ব্যাংক হিসাবে জমা হচ্ছে। এটি এমপিও ব্যবস্থার ক্ষতির একটি বড় ধরন হিসাবে আলোচিত হচ্ছে, যেখানে অনুপস্থিত শিক্ষকদের বেতন অবৈধভাবে দেওয়া হচ্ছে। বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিশনের তরফে পরিচালিত বিদ্যালয়ের বেতন ব্যবস্থা পরিপূর্ণ করতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড প্রয়োগ করা হয়, কিন্তু সেই মানদণ্ডগুলি মেনে চলা হচ্ছে না। বর্তমানে অনুপস্থিত শিক্ষকদের বেতন অবৈধ ভাবে পরিচালিত হচ্ছে যা শিক্ষা ব্যবস্থার পরিচালনা এবং বাজেট সংক্রান্ত ধারাবাহিকতা ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
দত্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিশন কর্তৃক পরিচালিত এই বিদ্যালয়ে পীযুষ কান্তি ঘোষের অনুপস্থিতি বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ন চালু করা হয়েছে। তাঁর বেতন প্রাপ্তি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে যা বিদ্যালয়ের শিক্ষা কর্মীদের ক্ষেত্রে অনুপস্থিত কর্মীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে দেখায়। কিছু শিক্ষার্থী তাদের কাছে অনুপস্থিত শিক্ষকের বেতন নিয়ে অভিযোগ তোলা হয়েছে। এই অভিযোগের প্রমাণ হিসেবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নথিভুক্ত দাস্তাবাহী প্রমাণ দেখানো হয়েছে। বিষয়টি বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে কাছাকাছি আলোচিত হচ্ছে, যাদের জন্য এই অনুপস্থিত শিক্ষকের বেতন দেখতে হচ্ছে অবৈধ ভাবে।
বেতন প্রাপ্তি নিয়ন্ত্রণ ছাড়া চলছে
নড়াইল জেলার দত্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পীযুষ কান্তি ঘোষের অনুপস্থিতি চলছে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি হলো তিনি আরও বেশ কয়েক বছর আগে পদত্যাগ করেছেন, কিন্তু বেতন প্রাপ্তি সংক্রান্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকা দেখা যাচ্ছে। বিদ্যালয়ের কর্মচারীদের তথ্য অনুসারে এই বেতন প্রাপ্তি চালু করা হয়েছে কিছু অনুপস্থিত কর্মীদের বেতন নিয়ে সরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা জমা হচ্ছে। এই বিষয়ে তদন্ন করতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় কমিশনের সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছে কিছু বিশেষজ্ঞ।
তদন্নের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী পীযুষ কান্তি ঘোষ বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার সত্যতা প্রমাণ করেছে। তিনি বেতন প্রাপ্তি নিয়ন্ত্রণ ছাড়া সরকারি ব্যাংকে প্রবেশ করেছেন। এই ব্যবস্থার অপব্যবহার নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অনেকে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। বিষয়টি কিছু সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত হচ্ছে, যা এই বিদ্যালয়ের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং বেতন প্রক্রিয়া সম্পর্কে নিশ্চিত ভাবে আলোকপাত করছে। এই অনুপস্থিত শিক্ষক নড়াইল �
