গাজীপুর (পূর্ব) প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম
দ বদ হ ব ড় ছ ত – দাবদাহে বেড়েছে তালের শাঁসের চাহিদা বর্তমানে সম্পূর্ণ নতুন স্তরে উঠেছে। এই মাসে বিশেষ করে হরেক রকমের সুস্বাদু ফল পাওয়া যায় এবং তালের শাঁস এবং এর ভেতরের মিষ্টি পানি তৃষ্ণা মিটিয়ে শরীরে আরামদায়ক অনুভূতি আনে। চলতি মৌসুমে গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তালের শাঁস চাহিদা দাবদাহে বেড়েছে। গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় বিক্রি শুরু হয়েছে এবং এখন সামনে থেকে ক্রেতাদের ভিড় লেগে থাকছে।
অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব
দাবদাহে বেড়েছে তালের শাঁসের চাহিদার মাঝে পরিবারগুলি অনেকে আরও বেশি ক্রয় করছেন। কিছু বাজারে বিক্রি মূল্য দাবদাহে বেড়েছে, কিন্তু এটি মৌসুমি ফলের দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় আবার কিছু জায়গায় এ ফল চাহিদার স্তরে উঠছে। এ মৌসুমে গাজীপুর উপজেলার মাওনা, বরমী, শ্রীপুর এবং জৈনা বাজারে বিক্রি বৃদ্ধি পেয়েছে। মাওনা এলাকার বিক্রেতা জাহিদুল ইসলাম বলেন, গরমের সময়ে তালের শাঁস চাহিদা দাবদাহে বেড়েছে। প্রতিটি তাল থেকে সাধারণত তিন থেকে চারটি শাঁস পাওয়া যায়।
প্রতিদিনই বিভিন্ন বয়সের মানুষ এ ফল কিনতে আসছেন। দাবদাহে বেড়েছে তালের শাঁসের চাহিদার কারণে বাজারে এ ফল কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। প্রতিটি শাঁস যুক্ত তাল ২০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। বেশি কিনলে দাম কিছুটা কম হয়।
পুষ্টি সম্পদ হিসাবে গুরুত্ব
চিকিৎসকদের মতে তালের শাঁসে শরীরের জন্য উপকারী বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এটি শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সহায়তা করে এবং হজমে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. বিজন মালাকার বলেন, “গরমের সময়ে তালের শাঁস শরীরকে প্রশান্তি দেয়। পাশাপাশি এটি হজমে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।” কয়েকটি বাজারে এ ফল এখন স্থায়ী চাহিদা দাবদাহে বেড়েছে এবং এটি বিশেষ করে �
