ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সমন্বয় সভা
ঢ ক ট ঙ গ ইল মহ – ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ঈদুল আজহা উপলক্ষে গণপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ এবং যানজট প্রতিরোধের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই মহাসড়কটি ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল এবং যমুনা সেতু সংযোগের প্রধান রাস্তা হিসেবে পরিচিত, যা প্রতিদিন গুরুতর যানজটের সম্মুখীন হয়। উপলক্ষে বিশেষ করে ঈদ উপলক্ষে যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধির পরিণতিতে রাস্তা প্রবাহের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের জন্য এই সভায় বিভিন্ন পক্ষের প্রতিনিধিরা সংযোগ গড়ে তুলেছেন। সভায় প্রতিনিধিরা বিভিন্ন পরিকল্পনা আলোচনা করেছেন যাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক এবং যমুনা সেতু পরিস্রাত হতে সম্ভব হয়।
ঈদ যাত্রীদের স্বাগতিক সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্য
এই সমন্বয় সভার প্রধান লক্ষ্য ছিল ঈদ উপলক্ষে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যাত্রীদের সুবিধা নিশ্চিত করা। সভায় প্রতিনিধিরা পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছেন যাতে জনপ্রিয় মন্দির, মসজিদ এবং গাড়ি স্টপে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হয়। কয়েকটি স্থানে স্পেশিয়াল বাস চালু করা হবে, যাতে বেশি পরিমাণে যাত্রী পরিবহনের সুবিধা হবে। যানজট কমানোর জন্য ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক এবং যমুনা সেতু রাস্তার কিছু স্থানে সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়াও এই রাস্তার জনপ্রিয় ক্ষেত্রগুলোতে একটি আন্তরিক চালু করা হবে যাতে গণপ্রবাহ কমিয়ে আসা সম্ভব।
সভার প্রধান পক্ষগুলোর মধ্যে কথোপকথন
সভায় প্রতিনিধিরা জনপ্রিয় স্থানগুলো বিশ্লেষণ করেছেন যাতে যাত্রীদের স্বাগতিক সুবিধা নিশ্চিত করা যায়। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দুপুর এবং সন্ধ্যায় যানজট বৃদ্ধির কারণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হল সম্পূর্ণ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক এবং যমুনা সেতু পরিস্রাত ঘটানো হবে। সভায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে মূলত রাস্তা পরিষেবা প্রতিষ্ঠান, পৌর আয়ুস্থান এবং স্থানীয় নেতাদের প্রতিনিধি ছিল। তারা সরাসরি কথোপকথনের মাধ্যমে কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যেন ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে স্বাগতিক পরিবহনের সুবিধা হয়।
ঈদ উপলক্ষে গণপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত প্রয়োগ করা হবে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত। বিশেষ করে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে যাতে রাস্তা প্রবাহ সাময়িক দৃঢ়তর হয়। কয়েকটি ক্ষেত্রে একটি অতিরিক্ত বাস চালু করা হবে যাতে পার
