ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যতিক্রমী ‘বাটির লিচুর’ বাজার
মুন্সিরহাটে অবস্থিত বাজার
ঠ ক রগ ওয ব যত ক – প্রতিদিন ঠ ক রগ ওয ব যত ক এলাকায় একটি বিশেষ বাজার চলছে যেখানে সাজানো রয়েছে সাদা বাটিতে বিছিয়ে রাখা লিচু। সেই সুন্দর রংয়ে ভরপূর ফলগুলি খুব আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে এই এলাকার বাজারে। এই বাজারে লিচু বিক্রি করার পদ্ধতি বাকি কোনো বাজারের সাথে ভিন্ন। এখানে লিচু বাটিতে বিছিয়ে রাখার কারণে ফলগুলি আরও সুন্দর এবং স্বাদের পরিচয় দেয়। এই বাজারের অনুপম দৃশ্য দেখা গেলে মনে হয় যেন একটি মিষ্টি দোকানে লাল মন্ডাগুলি সাজানো হয়েছে। ঠ ক রগ ওয ব যত ক এ নীরব আলো বিশেষ করে কোনো পাহাড়ি রাস্তার দুইপাশে লিচুর সাজানো বাজারের মাধ্যমে বাসিন্দারা তাদের প্রাচীন পদ্ধতি প্রতিষ্ঠা করছেন। এই বাজারে প্রতি দিন গৃহিণীদের কাছে প্রাপ্ত লিচু তাদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনেক গুরুত্ব দেয়া হয়। এই বাজারটি তাদের বাসস্থানের সাথে যুক্ত একটি অপূর্ব অংশ হয়ে উঠেছে।
বাজারের মূল প্রতিষ্ঠা ও প্রাচীনতা
ঠ ক রগ ওয ব যত ক এর বাজার প্রায় চার শতাব্দী বা আরও বেশি সময় ধরে চলছে। এই বাজারটি ঠাকুরগাঁও জেলার প্রাচীন ইতিহাসের সাথে জড়িত। বাজারে যে কোনো রংয়ে ভরপূর ফল সাজানো হয় তা বাসিন্দাদের সাথে স্থানীয় সংস্কৃতি বিশেষ করে লিচুর গুরুত্ব বোঝায়। এই বাজারে পাহাড়ি রাস্তার দুইপাশে রক্তপাতা রংয়ে সাজানো লিচু খুব পরিচিত। যারা এখানে বাজার করেন তারা বলেন যে এটি একটি মনোরম দৃশ্য এবং স্বাদ হারিয়ে গেলে হার মানতে হয়। এই বাজারে আপনাকে লিচুর অপূর্ব আকর্ষণের সাথে আরও অনেক কিছু দেখা যাবে।
ঠাকুরগাঁওয়ে ব্যতিক্রমী বাটির লিচুর বাজার সম্পর্কে আরও কিছু কথা বলা যেতে পারে। এই বাজারে এই ফলের প্রতি পরিচিতি আছে যে বাটিতে বিছিয়ে রাখার ফলে স্বাদ সংরক্ষিত হয়। ঠ ক রগ ওয ব যত ক এর বাজারে প্রতিদিন রাত দুপুর পর্যন্ত চলছে। এই দৃশ্য দেখা গেলে কেউ কেউ একটি মুহূর্তে হতাশ হতে পারেন কারণ এখানে লিচু মাত্র কিছুটা মাত্রা আছে। সেই সুন্দর রংয়ে ভরপূর ফলগুলি আকর্ষণ করে যেন কোনো মিষ্টি দোকানে সুন্দর রংয়ে সাজানো লাল মন্ডাগুলি রাখা হয়েছে। ঠ ক রগ ওয ব যত ক এর বাজারে লিচু নিয়ে মনোযোগ করা যেতে পারে।
বাটির লিচু বাজারে এলাকার মূল সম্প্রদায়ের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। যে কেউ এখানে কাজ করে তারা বলেন যে �
