চল্লিশের পরই জীবন শুরু হয়: রাইমা
চল ল শ র পরই জ বন – ভারতীয় বাংলা সিনেমার প্রথম সারির অধিকাংশ অভিনেত্রী বিয়ে করে জীবনের শেষ পর্ব চলছে। কিন্তু তালিকার বাইরে রয়েছেন লাস্যময়ী অভিনেত্রী রাইমা সেন। তিনি ছেচল্লিশের পরও অবিবাহিত। অনেকে এখন বিবাহ বিষয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন।
রাইমা সেন বলেন, “চল্লিশের পরই জীবন শুরু হয়। আমি মনে করি, এ বয়সে নিজেকে অনেক বেশি স্বাধীন লাগে।” তার মাতা মুনমুন সেন তার বিয়ে নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন, যার কারণে অনেক সময় তার কন্যা স্বামীর অনুমতি ছাড়া কাজ করতে চাইতেন না। কিন্তু পরে সে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
“যেসব কাজের অফার পাচ্ছি তাতে কিছু নতুনত্ব থাকতে হবে। আমি চাই এমন চরিত্র, যে আগে দর্শকদের কাছে দেখা হয়নি। না হলে কাজ করার মানে কি?”
রাইমা এখন অভিনয়ে সরব রয়েছেন, কিন্তু আগের চেয়ে কম কাজ করেন। তিনি বলেন, “আমি এমন চরিত্রে কাজ করতে চাই, যে আগে দেখা হয়নি। মানে কমেডি বা গ্যাংস্টার চরিত্র থেকে বেরিয়ে আসা দরকার।”
মুনমুন সেন এবং রাইমা সেন
সুচিত্রা সেনের কন্যা মুনমুন সেন হলেন রাইমা সেনের মা। ১৯৭৮ সালে সুচিত্রা নিজে দাঁড়িয়ে ভরত দেব ভার্মার সঙ্গে মাতার কন্যার বিয়ে দেন। তিনি আগে অভিনয়ে নাম লেখান না হওয়া কথা ছিল, কিন্তু বাবা-মা অবিবাহিত জীবনের সুবিধা দিয়েছেন।
কর্ম ও চরিত্রের বিষয়ে মন্তব্য
রাইমা এ বিষয়ে আরও বলেন, “আমার বিয়ে হলে কার কী সুবিধা হবে? আমি হ্যাপিলি সিঙ্গেল। বাবা-মা যথেষ্ট স্বাধীনতা দিয়েছেন, রোজগার করছি, ট্রাভেল করছি। কারো কাছে জবাবদিহি করার নেই বলে মনে হয়।”
১৯৯৯ সালে রাইমা বলিউডের গডমাদার সিনেমার মাধ্যমে অভিনয় প্রতিযোগিতার প্রথম পদক্ষেপ করেন। তারকা পরিবারের সন্তান হলেও তিনি রূপ এবং অভিনয় গুণে নিজেকে প্রমাণ করেছেন।
প্রতিভা ও সাফল্যের প্রমাণ
রাইমার দর্শকপ্রিয় চলচ্চিত্রগুলো হলো—হাওয়া বদল, ২২শে শ্রাবণ, মি আমোর, বাস্তশাপ, দ্বিতীয় পুরুষ, চিত্রাঙ্গদা প্রভৃতি। সেই সাথে তিনি অনেক হিন্দি ও বাংলা সিনেমার উপহার দিয়েছেন।
ঢাকা/শান্ত সম্পর্কিত বিষয়:
