News

কোরবানির হাট কাঁপাতে প্রস্তুত ‘দক্ষিণবঙ্গের কালো পাহাড়’ ও ‘ইরফান’

কোরবানির হাট কাঁপাতে প্রস্তুত ‘দক্ষিণবঙ্গের কালো পাহাড়’ ও ‘ইরফান’

ক রব ন র হ ট ক – গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উলপুর গ্রামে পশু চিকিৎসক মনিরুজ্জামান মৃধার বাড়িতে কোরবানি হাটে নিয়ে যাওয়ার জন্য সাদা মাথা এবং কালো পেছনের অংশ সমেত ষাঁড়টি প্রস্তুত হচ্ছে। গরু দুটি বিক্রি করার জন্য খামারিদের সহায়তা করা হবে বলে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা গোবিন্দ চন্দ্র সরদার জানান।

দক্ষিণবঙ্গের কালো পাহাড়: মোটাতাজা গরু

মনিরুজ্জামান মৃধার সংগ্রহ করা ষাঁড়টি নড়াইলের পহরডাঙ্গা হাট থেকে পাঁচ বছর আগে বের হয়েছিল। এই গরুটি হাটে নিয়ে যাওয়ার জন্য তার আকৃতি প্রকাশ করে সাদা মাথা এবং পেছনের কিছু অংশের বর্ণ রয়েছে। সাধারণ চাল, খড় ও সয়ামিলের ভূষি থেকে তৈরি খাবার দিয়ে এটি প্রাকৃতিক উপায়ে বড় করা হয়েছিল।

“দেশীয় খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাজা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে খামারিদের। এসব গরু যাতে হাটে নিয়ে যাওয়া যায় তার জন্য সব ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

ইরফান: ন্যায্য মূল্যে বিক্রি হবে না বিক্রি করবেন কিনা জানা যাচ্ছে

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উলপুর গ্রামে লীলা বেগম তিন বছর ধরে শাহিওয়াল জাতের গরুটিকে যত্নে লালন পালন করেছেন। এই গরুটি কাঁচা ঘাস, গম, ভূট্টা ভাঙা এবং দেশীয় খাবার দিয়ে বড় হয়েছে।

লীলা বেগম জানান, কোরবানি হাটে নিয়ে যাওয়ার জন্য গরুটিকে পরিচর্যা করছেন। প্রতিদিন খরচ হয় এক হাজার টাকা পরিমাণ খাদ্য এবং চিকিত্সার জন্য। গরুটি প্রায় ৯০০ কেজি ওজন বাহিনী। এর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ লাখ টাকা।

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার টুপুরিয়া গ্রামে মনিরুজ্জামান মৃধা বলেন, তিনি প্রতিদিন ষাঁড়টির খাবার ও পরিচর্যার জন্য প্রায় ১ হাজার টাকা খরচ করেন। গত বছরের মতো এবার কোরবানির ঈদ হাটে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছেন। ন্যায্য মূল্য পেলে ষাঁড়টি বিক্রি করবেন বলে তিনি জানান।

বাদল সাহা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার টুপুরিয়া গ্রামে কোরবানি হাটে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতির মধ্যে দেখা গেছে বিশাল আকৃতির ষাঁড়টি। গরু দুটির দাম কমানোর আশা করছেন ক্রেতারা। হাটে গরু বিক্রি করার প্রস্তুতি জারি রয়েছে নানা অঞ্চলে।

ঢাকা/মাসুদ সম্পর্কিত বিষয়

Leave a Comment