কুষ্টিয়ার মসলার বাজারে ক্রেতার নাভিশ্বাস
ক ষ ট য় র মসল র – ঈদুল আজহার উপলক্ষে কুষ্টিয়া শহরের মসলার বাজার গুরুতর সমস্যার মুখে পড়েছে। ক ষ ট য় র মসল বিক্রির জন্য বিভিন্ন বাজারে আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং দামে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছে। ক্রেতাদের দাবি, কাজুবাদাম, কিসমিস ও চিনাবাদাম সহ বিভিন্ন পণ্যের দাম শীঘ্রই বাড়তে শুরু করেছে। বিক্রেতারা জানান, কিছু মসলার দাম স্থিতিশীল থাকলেও অনেক পণ্যের দাম বেড়েছে।
মসলার দামে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি
বর্তমানে কাজুবাদাম প্রতি কেজি দরে ১৪০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এটি এক মাস আগে ছিল ১১৫০ টাকা। কিসমিস প্রতি কেজি দাম এক মাসের মধ্যে ৩০০ টাকা বেড়ে গেছে। পেস্তা দাম সরাসরি দ্বিগুণ হয়ে গেছে, যা এখন ৪৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। জিরা প্রতি কেজি দাম এখন ৬০০ টাকা হয়েছে। এছাড়া, এলাচ দাম এক মাসে পাঁচ হাজার টাকায় বেড়ে গেছে। দারুচিনি ও গোলমরিচের দামও উন্নতি ঘটেছে।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতামত
মসলা বিক্রেতা আবুল প্রামাণিক বলেন, “ঈদের সময় ক ষ ট য় র মসল চাহিদা সবচেয়ে বেশি। বাজারে প্রতিটি পণ্যের দাম বেড়ে গেছে।” হলুদ বিক্রেতা শরীফ বলেন, “হলুদ প্রতি কেজি ২৪০-২৫০ টাকা ও মরিচের গুড়া প্রতি কেজি ৩৫০-৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দাম বাড়ানোর কারণ হলো ঈদের আগে ক ষ ট য় র মসল চাহিদা প্রতিটি দিন বৃদ্ধি পেয়েছে।”
অপর ক্রেতা বাবলু রহমান আক্ষেপ করে বলেন, “ঈদের সময় ক ষ ট য় র মসল কেনার জন্য বাজারে মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে।” প্রতিটি মসলা বাড়তি মূল্য নিয়ে বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, আগামী দিনগুলোতে মসলা কেনার জন্য আরও বেশি ব্যয় হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ক ষ ট য় র মসল এবং অন্যান্য পণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রধান কারণ হলো প্রতিযোগিতা ও আমদানি সমস্যা। সিন্ডিকেটের কারণে মসলা আমদানি কমে গেছে, যা বিক্রি দাম বৃদ্ধির জন্য দায়ী। এছাড়া, মসলা বাজারে ক্রেতাদের আগ্রহ বৃদ্ধির সাথে সাথে বিক্রেতারা মূল্য বৃদ্ধি করেছেন।
বিক্রেতাদের মতে, ঈদের সময় ক ষ ট য় র মসল চাহিদা দ্বিগুণ হয়েছে। এর ফলে দাম বৃদ্ধি হয়েছে। যেমন, পেস্তা দাম পূর্বে ছিল ৩২০০ টাকা কেজি দরে, এখন তা ৪৪০০ টাকা হয়েছে। এটি বিশেষ আমদানি খরচ ও মার্কেটিং খরচ বৃদ্ধির কারণে ঘটেছে।
বাজারে ক্রেতারা মসলা কেনার সময় দুর্বল পরিস্থিতি দেখছেন। কিছু বাবা বলেন, “ঈদের পর পর মসলার দাম বাড়তে থাকবে। কাজুবাদাম ও কিসমিস এর দাম এখন কোন সীমা নেই।” মসলা কেনার জন্য এই মূল্য বৃদ্ধি বাজারে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস দিচ্ছে।
