‘এই দেখো, এভাবে হাসবে’—কোনালকে বলেছিলেন কবরী
এই দ খ এভ ব হ সব – এই দেখো, এভাবে হাসবে—এই কথাগুলি অনুপ্রাণিত করেছিল কোনালের সঙ্গীত সৃষ্টি করার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া। বাংলা সংগীতের জগতে কবরী ছিলেন একজন অপরিসীম গুণে পূর্ণ শিল্পী এবং শিক্ষক। তাঁর সহযোগিতার ফলে কোনাল তার গানগুলিতে এই দেখো, এভাবে হাসবে—এই ধরনের সৌন্দর্য জন্ম দেন। বিশ্বাস করা হয় যে তিনি কোনালকে প্রতিভা প্রকাশের জন্য একটি নির্ভুল পথ দেখান।
সংগীতের সাথে অভিনয়ের মিল
কোনালের অভিজ্ঞতার আলোচনা করেন রাইজিংবিডির সাথে সাক্ষাতকারে। তিনি বলেন, “কবরী আপার হাসি ছিল এই দেখো, এভাবে হাসবে এমন একটি জাদু যা সাবিনা ইয়াসমীন ম্যাডামের পরিচালনায় একটি চলচ্চিত্রের জন্য প্রস্তুত হওয়ার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এই দেখো, এভাবে হাসবে শিল্পীদের জীবনে অনুপ্রাণিত করে বাস্তব করেছিল তাঁর সত্যিকার গুণ।”
রেকর্ডিংয়ের সময় কোনাল আপন সংগীত গুণগত সুষ্ঠুতা করতেন। কিন্তু তার হাসি কবরী আপার মতো হওয়া প্রয়োজন ছিল। সেই দিন কবরী আপা নিজে স্টুডিওতে আসেন এবং নিজের হাসিটি শুনিয়ে দেন। এরপর তিনি বলেন, “এই দেখো, এভাবে হাসবে।” এই বাক্য কোনালকে শিক্ষার সম্পূর্ণ করে দিয়েছিল মানুষের সত্যিকার গুণ পূর্ণ হতে।
প্রতিভার দ্বারা আগ্রহ জাগিয়েছিল কবরী
কবরী ছিলেন কোনালের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিভার প্রতিনিধি। তাঁর সাহস এবং ভালোবাসার মাধ্যমে কোনাল নিজেকে সংগীত প্রতিভার দিকে এগিয়ে দেন। এই দেখো, এভাবে হাসবে—এই প্রক্রিয়াটি কোনাল সত্যিকার সাহস সৃষ্টি করেছিল তাঁর প্রতিভার দ্বারা।
ব্যক্তিগত কাজে কবরী আপা কোনালকে অসংখ্য সাহায্য করেছিলেন। তিনি তার সঙ্গে প্রতিদিন কথা বলতেন এবং সংগীত কর্মী হিসেবে নয়, অভিভাবকের মতো আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। কোনাল তাঁর এই শিক্ষা নিয়ে নিজেকে স্বাধীন করে দিয়েছিলেন এই দেখো, এভাবে হাসবে—এই প্রক্রিয়াটি তার শিল্পী হিসেবে প্রতিভার জন্ম দেয়।
“এখনো আমি তাকে খুব মিস করি। তার মতো মানুষ ও শিল্পী বারবার জন্ম নেয় না। এই দেখো, এভাবে হাসবে—এই কথা আমি সবসময় মনে রাখি। কবরী আপা ছিলেন আমার জীবনের অনুপ্রেরণার নাম।”
বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে কবরী ছিলেন একজন স্বাধীন শিল্পী এবং বিশ্বাস করা হয় যে তিনি নতু
