উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপদ আশ্রয়ের দিন শেষ: খামেনি
প্রতিরক্ষা প্রদান থেকে বিচ্ছুদ্ধ হওয়ার ঘোষণা
উপস গর য় অঞ চল য ক – বিশ্ব সামরিক বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে যে উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের আর কোনো নিরাপদ আশ্রয় থাকবে না। ইরানের প্রধান নেতা মোজতবা খামেনি এই ঘোষণার মাধ্যমে দাবি করেছেন যে উপসাগরীয় অঞ্চলে শক্তি ও সম্পদ আর আমেরিকার পক্ষে প্রতিরক্ষা হিসেবে কাজ করবে না। এই প্রতিক্রিয়া আমেরিকার সামরিক স্থাপনার প্রতি ইরানের প্রতিরক্ষা প্রদানের দিন শেষ হওয়ার প্রতীক হিসেবে দেখা যাচ্ছে। এই ঘোষণার প্রতিক্রিয়া হিসেবে সম্ভবত দুই দেশের মধ্যে বিশ্ব সামরিক সম্পর্কের বিবর্তন হতে পারে।
ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিষয়ে বিবাদ
তিনি জানান, উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপদ আশ্রয় কার্যকর হবে না। বিশ্ব সামরিক বিষয়ে মন্তব্য করেন খামেনি যে ঐ অঞ্চলের শক্তি আর আমেরিকার প্রতিরক্ষা হিসেবে কাজ করবে না।
ইরানের বিশ্ব সামরিক নীতি আর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ক্ষমতা এই পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে বিবাদের ফল। উপসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকার ক্ষমতা অব্যাহত রয়েছে কিন্তু এখন থেকে ইরান তা থেকে বিচ্ছুদ্ধ হবে। এই ঘোষণা দ্বারা এই অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি প্রতিরক্ষা হিসেবে কাজ করার প্রতি স্বাক্ষর করা হয়েছে।
প্রতিরক্ষা প্রদানের সম্ভাবনা ও প্রতিক্রিয়া
ইরানের প্রধান নেতা খামেনি উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের আশ্রয় প্রদানের দিন শেষ হবে বলে ঘোষণা দিলেন। এই ঘোষণা সম্ভবত দুই দেশের মধ্যে বিবাদ কমাতে বা একটি সম্পূর্ণ নতুন সামরিক সম্পর্কের দিকে প্রস্তুতি নেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ও সামরিক ক্ষমতার অব্যাহত অস্তিত্ব আছে কিন্তু এখন থেকে তা কোনো স্থাপনা হিসেবে কাজ করবে না। এই ঘোষণা সম্ভবত সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চুক্তি করা হয়েছে যাতে উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রতিরক্ষা কার্যক্রম বিচ্ছুদ্ধ হবে।
সম্পূর্ণ আশ্রয় প্রদানের দিন শেষ
উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপদ আশ্রয়ের প্রতিরক্ষা প্রদানের দিন শেষ হবে বলে খামেনি ঘোষণা করেন। তিনি মন্তব্য করেন যে ঐ অঞ্চলে শক্তি ও সম্পদ আর আমেরিকার পক্ষে প্রতিরক্ষা হিসেবে কাজ করবে না। ইরান তাদের সামরিক ক্ষমতা ও প্রতিরক্ষা প্�
