হবিগঞ্জে বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে
হব গঞ জ বজ রপ ত ত – হবিগঞ্জ জেলার তিনটি উপজেলায় রবিবার (৭ জুন) বিকেল এবং সন্ধ্যার সময় বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু ঘটেছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী আহত হয়েছেন আরও তিনজন মানুষ। এ ঘটনার বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদ হোসেন এবং শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি মো. আবুল কালাম প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। বজ্রপাতে তিনজন ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে বিষয়টি আরও প্রমাণ করতে পারে বৃষ্টির পরিমাণ ও বিপর্যয় কেন্দ্রে রয়েছে স্থানীয় কর্মকর্তারা।
বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে
হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার কাজীরগাঁও গ্রামে ঘটনার প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। রাহেলা বেগম (৪৫) তাঁর বাড়ির পাশে কাজ করছিলেন সন্ধ্যার সময়। বজ্রপাতে তাঁর মৃত্যু ঘটে। অপর দিকে চুনারুঘাট উপজেলার শ্রীমঙ্গলকান্দি গ্রামে দুজন ছাদ থেকে পানির ট্যাংক পরিষ্কার করছিলেন রিংকু দেবনাথ (৩০) এবং তাঁর ভাগ্নে পিযুষ দেবনাথ। বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হলে দুই ভাই ছাদ থেকে ছিটকে পড়েছিলেন। রিংকু দেবনাথকে মৃত ঘোষণা করেছেন চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক।
বানিয়াচং উপজেলার শ্রীমঙ্গলকান্দি গ্রামে বজ্রপাতে চার যুবক আহত হন। এ ঘটনার পর হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে। সুজন মিয়া (১৬) মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। আহত সিয়াম মিয়া, হাফিজ উদ্দিন ও পারভেজ মিয়া বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে এবং বিপর্যয়ের পরিমাণ স্থানীয় কর্মকর্তারা পরিমাপ করছেন।
স্থানীয় কর্মকর্তার প্রতিক্রিয়া
হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনার পর স্থানীয় কর্মকর্তারা জনস্বাস্থ্য ও আপদ মুক্তি কার্যক্রম শুরু করেছেন। এ ঘটনায় প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন হবিগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদ হোসেন। তিনি জানান, বজ্রপাতের ঘটনা হয়েছে স্থানীয় সময়ে বিকেল এবং সন্ধ্যার মধ্যে। ঘটনার পর দুর্ঘটনার স্থানে সাহায্য করতে কর্মকর্তারা পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর রিংকু দেবনাথকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে।
বিপর্যয়ের পরিস্থিতি
বজ্রপাতের ঘটনার পর অনুমান করা হচ্ছে যে আবহাওয়া বিপর্যয় কেন্দ্রে আছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা ঘটনার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করছেন। হবিগঞ্জ জেলায় বিকেল ও সন্ধ্যার সময় বজ্রপাত সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে পারে স্থানীয় সংবাদ সংস্থা। পরিস্থিতি
