শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আজও সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ
শ ক ষ মন ত র র সামনে সায়েন্স ল্যাব মোড়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে আজও অবরোধ চলমান আছে। নানা কারণে শিক্ষামন্ত্রী পদ থেকে বিদায় নেওয়ার দাবি তুলে দেওয়া শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ কমবেশি শেষ হয়নি। সরকারের নীতি ও বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণার গুরুত্ব নিয়ে প্রতিবাদ চালানো হচ্ছে।
প্রতিবাদের বিস্তারিত বিবরণ
সায়েন্স ল্যাব মোড়ে গৃহীত অবরোধের কারণে প্রতিদিন আরও বেশি শিক্ষার্থী সংগ্রহ হচ্ছে। প্রতিবাদ শুরু হওয়ার পর থেকে সরকারের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়েছে। তাদের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ এবং গবেষণার বিষয়টি সর্বোচ্চ প্রাধান্য পেয়েছে। এ ছাড়াও অন্যান্য গুরুতর দাবি রয়েছে যেমন শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বেতন ও বৃত্তি হ্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।
অবরোধের পটভূমি
অবরোধের পটভূমি হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের বিরুদ্ধে চালানো প্রতিবাদ তার পদত্যাগ দাবির ওপর ভিত্তি করে। তিনি গবেষণার ক্ষেত্রে যথেষ্ট উন্নয়ন করেছেন বলে আসামীদের কাছে গৃহীত হয়েছেন। তবে সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে সামন্তরিক সংকট দেখা দিয়েছে, যা প্রতিবাদের উৎস হিসেবে কাজ করে।
প্রতিবাদের আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকে সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ তার সংখ্যা ক্রমাগ্রাস করে চলছে। এই অবরোধ দ্বারা প্রতিবাদের পটভূমি প্রতিদিন গুরুতর হয়ে আসছে। অনেক শিক্ষার্থী এই প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতি ও শিক্ষার মান বৃদ্ধি দাবি তুলে ধরেছেন। তারা বলছেন যে শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করার পর শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সুযোগ আরও বেশি প্রাপ্ত হবে।
অবরোধের দ্বারা শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ গুরুতর হয়ে আসছে। এখন প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন নতুন করে সায়েন্স ল্যাব মোড়ে স্থায়ী হয়ে আছেন। তাদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মত পার্থক্য দেখা যাচ্ছে, কিন্তু শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ দাবি সবার আগে বিস্তারিত হয়েছে। অবরোধে নানা গুরুতর আন্দোলন দেখা দিয়েছে যেমন বৃত্তি দাবি ও গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধি।
তাদের মধ্যে একজন প্রতিবাদকারী শিক্ষার্থী বলেছেন, “শ ক ষ মন ত র র পরিকল্পনা সর্বোত্তম নয়। তাঁর পদত্যাগের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুতর প্রতিবাদ আরও বেশি হবে।”
প্রতিবাদের সামনে সায়েন্স ল্যাব মোড়ে আজ পর্যন্ত অবরোধ বজায় আছে। তার মধ্যে সরকারের সামনে প্রতিবাদ আরও জোর পাচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগের দাবি প্রাথমিক হিসেবে চলছে। অবরোধে প্রতিবাদ প্রায় দুই দিন চল
