বিয়ের দাওয়াত খেয়ে বাড়ি ফেরা হলো না রানার
ব য় র দ ওয় ত খ – বিয়ের দাওয়াত খেয়ে বাড়ি ফেরা হলো না রানার ঘটনাটি শহরের একটি বাড়িতে ঘটেছে। মোহনা রানা (১৭) তার আত্মীয়ের বিয়ে শেষে পরিবারের সদস্যদের সাথে বাড়ি ফেরার পথে ছিলেন। সেই দিনে তিনি স্বাভাবিকভাবে সংগ্রহ করা হয়েছিল বিয়ের দাওয়াত এবং পরিবারের সাথে সাথে যাত্রা করেন। কিন্তু তার আগে অপরিচিত পরিস্থিতিতে তার চোখ আর পড়তে পারে না বলে আরো পরিচিত নদী বার্তা দিয়ে তার প্রথম অবতরণ ঘটে। তার পা পিছলে জলে পতন ঘটেছিল বলে প্রতিবেশীদের হাতে খবর পৌঁছেছিল। কালাবদর নদীতে পড়ে তিনি নিখোঁজ হন এবং তার অপসন্ন অবস্থা প্রায় প্রতিদিন সংবাদ সংক্রান্ত হয়।
অপসন্ন অবস্থার কথা শুনে সামাজিক সংগঠন চালু হয়েছে
বিয়ের দাওয়াত খেয়ে বাড়ি ফেরা হলো না রানার ঘটনাটি আলোচনার মাঝে রাখে বিয়ের দাওয়াত খেয়ে বাড়ি ফেরা হলো না রানার পরিবার এবং এলাকার মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দারা বিয়ের দাওয়াত খেয়ে বাড়ি ফেরা হলো না রানার কাছে পৌঁছে দেয়া হয় সামাজিক সংগঠন। বিয়ের দাওয়াত খেয়ে বাড়ি ফেরা হলো না রানার পরিবারের বিশ্বাস করেন যে তার অপসন্ন অবস্থা কালাবদর নদীতে পতনের ফলে হয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী রানা পরিবারের সদস্যদের সাথে বাড়ি ফেরার পথে ছিলেন বিয়ের দাওয়াত খেয়ে বাড়ি ফেরা হলো না রানার আগে। কিন্তু তার আগে অপরিচিত পরিস্থিতিতে তার চোখ আর পড়তে পারে না বলে জানানো হয়।
নদী পতনের পর খুঁজু খুঁজু সার্চ অপারেশন
বিয়ের দাওয়াত খেয়ে বাড়ি ফেরা হলো না রানার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তার খুঁজতে শুরু করেন। কালাবদর নদীতে তার পতন ঘটেছিল বলে আরো খবর পৌঁছেছিল। সেখানে খুঁজু খুঁজু অপারেশন চালু করা হয়। পরিবারের সদস্যদের সাথে সাথে বিয়ের দাওয়াত খেয়ে বাড়ি ফেরা হলো না রানার খুঁজতে প্রতিবেশীরা অংশ গ্রহণ করেন। কালাবদর নদীতে তার চোখ পড়তে পারে না বলে সংবাদ প্রসারিত হয়। এটি বিয়ের দাওয়াত খেয়ে বাড়ি ফেরা হলো না রানার পরিবারের হতাশা এবং আশঙ্কার কারণ।
“রানা আমাদের পরিবারের জন্য কালাবদর নদীতে পতনের পর প্রায় আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।” – রানার মা
বিয়ের দাওয়াত খেয়ে বাড়ি ফেরা হলো না রানার ঘটনার পর বিষয়টি বিশেষ আকর্ষণ নিয়ে চলেছে। পরিবারের সদস্যরা বিয়ের দাওয়াত খেয়ে বাড়ি ফেরা হলো না রানার ন
