বর্ষার শুরুতেই চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু
বর ষ র শ র ত ই – বর্ষার শুরুতেই ডেঙ্গু রোগের আতঙ্ক বৃদ্ধি পেয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এডিস মশাবাহিত এই রোগ বাংলাদেশে বেশ ছড়িয়ে পড়ছে। বর্ষার শুরুতে বিশেষ করে জানুয়ারী মাসে বিস্তারিত কিছু তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় স্তরে এই রোগের ক্ষেত্রে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। রোগ বিস্তারের প্রধান কারণ হল বৃষ্টিপাতের ফলে বিপর্যয় নির্মাণে সহায়তা করা ক্ষেত্রে রোগ বিস্তার হচ্ছে এবং এই সময়টি বর্ষার শুরুতে ডেঙ্গু রোগের একটি গুরুতর আকার ধারণ করছে।
বর্ষার শুরুতে ডেঙ্গু রোগের বিস্তার
বর্ষার শুরুতে ডেঙ্গু রোগের প্রসার বৃদ্ধি পেয়েছে যেহেতু এই সময়টি মশার বিপর্যয় গড়ে তোলার সময়। বৃষ্টিপাতের ফলে বাড়ি বাড়ি ও সড়কে বিপর্যয় গঠন হয়েছে যা ডেঙ্গু মশার জন্মের স্থান হিসেবে কাজ করছে। রাজধানী ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায় এই রোগের ক্ষেত্রে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হচ্ছে যেহেতু এখানে বিপর্যয় গঠনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য। বর্ষার শুরুতে ক্ষেত্রে আক্রান্ত সংখ্যা দেখা দিয়েছে যে এই সময়টিতে বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি পেয়েছে যে কারণে ডেঙ্গু রোগের পরিমাণ বেড়েছে। মেডিকেল কমিশন তথ্য অনুযায়ী ডেঙ্গু রোগ বিস্তারের স্থান হিসেবে ঢাকার বাইরের জেলাগুলো বিশেষ করে বর্ষার শুরুতে বেশি প্রভাবিত হচ্ছে।
“বর্ষার শুরুতে ডেঙ্গু রোগের আক্রান্ত সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে যেহেতু বৃষ্টিপাত বিপর্যয় গঠনের পরিমাণ বেশি। সেই সাথে বিভিন্ন ব্যক্তিগুলো প্রতিরোধ ও প্রতিকারের জন্য কাজ করছে।”
ডেঙ্গু রোগের প্রতিরোধ ও প্রতিকার
বর্ষার শুরুতে ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। সরকার বর্ষার শুরুতে বিশেষ করে এডিস মশার বিপর্যয় গঠন থেকে রোগ বিস্তার রোধে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছে। বিপর্যয় গঠন কমানোর জন্য সরকার বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ দেখে সম্প্রতি একটি সর্বজনীন ক্ষেত্রে প্রতিরোধ অভিযান চালানো হচ্ছে। এই অভিযানে বিশেষ করে বর্ষার শুরুতে মানুষ ক্ষেত্রে কীভাবে ডেঙ্গু রোগ থেকে বিপন্ন হতে পারে সেই বিষয়টি বুঝতে হবে। একজন চিকিত্সক বলেন, “বর্ষার শুরুতে মানুষ ক্ষেত্রে বিপর্যয় গঠন থেকে বিচ্ছুদ্ধ হওয়া প্রয়োজন কারণ এটি ডেঙ্গু মশার জন্মের কারণ।”
বর্ষার শুরুতে বিশেষ করে এডিস মশার বিপর্যয় গঠন কমানোর জন্য বিভিন্ন সা�
