ফেসবুক পোস্ট ঘিরে জাবি ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগ
ফ সব ক প স ট ঘ – ফেসবুক পোস্ট ঘিরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের নেতা আবদুল গাফফার জিসান দাবি করেছেন যে সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে একটি ফেসবুক পোস্ট করে তাঁর বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগের মতে, নোয়াখালী জেলার হাতিয়ায় অবস্থিত তাঁর বাসভবনে নোয়াখালী জেলার স্থানীয় কিছু ছাত্রদলের সদস্যদের দ্বারা একটি ফেসবুক পোস্টের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আক্রমণ চালানো হয়েছে। এ বিষয়ে জিসান বলেন, “আমি ফেসবুক পোস্ট করেছিলাম যে তাঁর কার্যক্রম বিশেষ করে ছাত্রদলের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনমত বিকৃত করার চেষ্টা করছেন। তাঁর বাড়িতে হামলা করা হয়েছে যার পিছনে ফেসবুক পোস্ট ছিল।” পোস্টটি প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে তাঁর বাসভবনে ছাত্রদলের সদস্যদের প্রতি নোয়াখালী জেলার নিরাপত্তা বাহিনীর আক্রমণ ঘটেছে।
অভিযোগের পটভূমি
ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে তোলা অভিযোগের কারণে জিসান নেতার বাড়িতে স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনী তাঁকে আক্রমণ করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। পোস্টটি সম্প্রতি আলোচিত হয়েছিল যে হান্নান মাসউদ প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের কাছে অনুগ্রহ চেয়েছেন এবং তাঁর কার্যক্রম বিশেষ করে ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে বিশেষ নীতি প্রয়োগের অভিযোগ তুলে ধরেছেন। ঘটনার পর তিনি বিশেষ দৃষ্টি দেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনার তদন্ত করছেন এবং ফেসবুক পোস্ট করা হয়েছে কারণ তদন্তে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ফেসবুক পোস্ট ঘিরে সংঘটিত ঘটনার প্রতি জিসান ছাত্রদল বিশেষ দৃষ্টি দিচ্ছেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের মাধ্যমে আন্দোলন চালিয়েছেন এবং সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে ফেসবুক পোস্ট করার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিরাপত্তা বাহিনীর আক্রমণ ঘটেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন। তিনি জানান, “ফেসবুক পোস্ট করে আমাদের আক্রমণ প্রতিবাদের মাধ্যমে করা হয়েছে যা ছাত্রদলের প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের স্বাধীনতা আঘাত করেছে।” তাঁর দাবি প্রতি সমালোচনা চালিয়েছে কিছু বিশেষজ্ঞ ও ছাত্রদলের মতো বিভিন্ন দলের সদস্যরা।
নিরাপত্তা বাহিনীর তদন্ত
ফেসবুক পোস্টের পর ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে নিরাপত্তা বাহিনী ছাত্রদলের কাছে আলোচনা করেছে। তাঁদের বলা হয়েছে যে ফেসবুক পোস্ট করার পর তাঁদের বাসভবনে হামলার ঘটনা ঘটেছে। তদন্তের প্রক্রিয়া বিশেষ দৃষ্টি প্রাপ্ত হয়েছে কারণ ঘটনাটি বিশেষ করে ফেসবুক পোস্ট করা হয়েছে যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অবিচ্ছিন্ন তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে আঘাত করেছে। তাঁদের দাবি প্রতি �
