পোস্তগোলা হাটে জমজমাট বিক্রি, চাহিদায় মাঝারি গরু
প স তগ ল হ ট জমজম – রাজধানীর পোস্তগোলা শ্বশানঘাট কোরবানির পশুর হাটে শেষ মুহূর্তে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড় ছড়ানো হয়েছে। হাটে ছোট ও মাঝারি আকারের গরু বেশি চাহিদার কারণে বিক্রি চলছে উৎকটভাবে, তবে বড় গরুতেও আগ্রহ প্রকাশ পেয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) সরেজমিনে দেখা গেছে হাটে ক্রেতারা বিভিন্ন আকারের গরু তুলনা করছেন এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে দেখছেন।
শ্যামপুরের বাসিন্দা সোহাগ পাটোয়ারী জানান যে ছোট পরিবারের জন্য মাঝারি গরু বেশি উপযোগী হয়। তিনি বলেন, “দাম তুলনামূলক নাগালের মধ্যে থাকার কারণে অনেকে ছোট ও মাঝারি গরু কেনা পছন্দ করছেন। তাই আমি একটি গরু পছন্দ করেছি যার মূল্য আমার বাজেটের মধ্যে রয়েছে।”
নারায়ণগঞ্জ পাগলার বাসিন্দা মিজানুর রহমান জানান যে বড় গরুর দাম বেশি হলেও কয়েকজন মিলে কিনলে সুবিধা হয়। তিনি বলেন, “বন্ধুদের সঙ্গে মিলে বড় গরু দেখতে এসেছি। এই আকারের গরু পরিবারের জন্য সুবিধাজনক হয়।”
বিক্রেতারা প্রকাশ করেন যে শেষ সময় হওয়ায় বেচাকেনার হার উন্নত হয়েছে। ফরিদপুর থেকে গরু নিয়ে আসা ব্যবসায়ী আব্দুল মালেক বলেন, “গত দুইদিন ক্রেতা কম ছিল, কিন্তু আজ সকাল থেকে ভালো বিক্রি হচ্ছে। ছোট ও মাঝারি গরু দ্রুত বিক্রি হচ্ছে।”
কুষ্টিয়া থেকে আসা আরেক বিক্রেতা মাসুম বিল্লাহ জানান যে বড় গরুরও ক্রেতা আছে। তিনি বলেন, “অনেকে দেখে যাচ্ছেন এবং দরদাম করছেন। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রি আরো বাড়বে বলে আশা করছি।”
পোস্তগোলা শ্বশানঘাট পশুর হাট পরিচালনা কমিটির পরিচালক শফিউল্লা সুমন জানান যে হাটে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বৃষ্টির মৌসুম হওয়ার কারণে ক্রেতা-বিক্রেতাদের কিছু সমস্যা হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে পানি নিষ্কাশন করে দিচ্ছি। হাট পুরোপুরি জমে উঠেছে। আশা করি শেষদিনে বেচাকেনা আরো বাড়বে।”
ঢাকা/এমএসবি/এসবি সম্পর্কিত বিষয়
ঈদুল আজহার আর মাত্র একদিন বাকি হওয়ায় হাটে আগ্রহ অনুমান করা যাচ্ছে উত্তেজিত হয়ে উঠছে। বিক্রেতারা সূচনা করেছেন যে এই সময় ক্রেতারা বিভিন্ন গরু বেছে নেওয়া প্রক্রিয়া দ্রুত গতিতে চলছে।
