নির্বাচনের ফল না মানলে গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা ছিল: ডা. শফিকুর
ন র ব চন র ফল ন – নির্বাচনের ফল মেনে নেওয়া ছিল না সে দিন দেশে গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা ছিল। এ বিষয়ে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন যে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের ফলাফল অগ্রাহ্য করলে দেশে গৃহযুদ্ধ ঘটার আশঙ্কা ছিল। তিনি বলেন, নির্বাচনের ফল গ্রহণ করা ছাড়া দেশের প্রতিটি মানুষের অনুভূতি ভাঙা হতে পারে। প্রতিদ্বন্দ্বিতার সাথে সম্পর্ক নষ্ট হওয়া এবং প্রতিপক্ষ পরিচয় বদলে সংঘটিত হওয়া কোনও গৃহযুদ্ধের প্রবণতা বাড়িয়ে দিত।
প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রতি অবিশ্বাসের ফল নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন থেকে প্রকাশিত হয়েছিল
নির্বাচনের ফল ঘোষণার দিন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রতি অবিশ্বাস আরও উপস্থিত হয়েছিল। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যে দিন নির্বাচনের ফল প্রকাশ করা হয়েছিল তখন বিরোধীদলগুলো সে ফল সম্পূর্ণ গ্রহণ করতে পারেনি। তার মতে, তখন আরও বেশি আশঙ্কা ছিল যে এই নির্বাচনের ফল আগে থেকে তৈরি করা হয়েছিল। সংসদের নির্বাচনের ফল ছিল একটি প্রতিক্রিয়া দেশে জনগণের প্রতি প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও উদ্দীপনা হওয়ার কারণ ছিল।
নির্বাচনের ফল গ্রহণ করা না হলে সংসদের পরিবর্তনে বিশেষ করে বিরোধীদলগুলো প্রতিক্রিয়া দেয়া আরও গুরুতর হত। ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছিলেন যে তিনি নির্বাচনের ফল সম্পর্কে স্পষ্ট মত দিয়েছেন কিন্তু তা কেবল একটি সম্ভাব্য পরিস্থিতি হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন।
নির্বাচনের ফল গ্রহণের দরকার ছিল যেহেতু তার কারণে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আন্দোলনের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যদি নির্বাচনের ফল স্বীকৃতি না হত তবে দেশে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়তে পারে। তিনি বলেন, নির্বাচনের ফল মেনে নেওয়া একটি সংখ্যালঘু বিরোধীদলগুলোর ক্ষমতার বিস্তার প্রক্রিয়া হিসেবে মনে হয়। দেশের একটি প্রতিদ্বন্দ্বি দল তাদের নির্বাচনের ফল স্বীকৃতি দিতে পারে কিন্তু বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীর সদস্যরা তা ছেড়ে দেখেছিলেন।
নির্বাচনের ফল এর প্রতি মানুষের অনুভূতি কেন গৃহযুদ্ধের আশঙ্কার কারণ হয়েছিল
নির্বাচনের ফল গ্রহণ করা বা না গ্রহণ করা হতে পারে কিন্তু তার প্রতি মানুষের অনুভূতি সে দিন থেকে অস্থিরতা বাড়িয়ে দিয়েছিল। ডা. শফিকুর রহমান তাদের প্রতি গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা নিয়ে বিশ্লেষণ করেছিলেন যে নির্বাচনের ফল সম্পূর্ণ ভাবে অগ্রাহ্য করা হলে সামাজিক স্থিতিশিলতা ভেঙে পড়তে পারে। তিনি আরও বলেন যে নির্বাচনের ফল নেওয়া ছাড়া দেশে প্রতিপক্ষ সংখ্যালঘুতার বিষয়ে আরও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়তে পারে।
নির্বাচনের ফল
