News

নাশকতার মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

নাশকতার মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

ন শকত র ম মল য় ইউপ – নাশকতার মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান মো. খায়রুজ্জামান বাবু মোলাকে গত দুই দিনে ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই মামলায় তাঁকে দুই দিন আটক করা হয়, যার পরে তিনি পুলিশ কমিশনারের বিচারে নাশকতার মামলা সংক্রান্ত বিষয়টি স্পষ্ট করে জানানো হয়। নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তারকৃত ইউপি চেয়ারম্যান মোলাকে আটক করা হয়েছে ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বে তিনি ব্যবসা বা কর্মকান্ডে ভুল করেছেন বলে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাঁর বয়স ৪৮ বছর এবং তিনি অনেক দিন ধরে স্থানীয় সরকারের কাজ করছেন। নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তারের পর তাঁর পরিবার এবং সমস্ত ইউনিয়নের কর্মকর্তারা খুব বিপক্ষ প্রকাশ করেছেন।

নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া

ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. খায়রুজ্জামান বাবু মোলাকে নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে। নাশকতার মামলার প্রধান অভিযুক্ত হিসেবে তাঁকে আটক করা হয় এবং তাঁর মোটামুটি কার্যকাল নিয়ে অনুসন্ধান চালু করা হয়েছে। নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তারের পর ইউনিয়ন পরিষদের কর্মকর্তারা খুব বিপক্ষ প্রকাশ করেছেন এবং এই মামলার প্রকৃতি নিয়ে বিতর্ক উত্তপ্ত হয়েছে। নাশকতার মামলায় এটি প্রথম কর্মকর্তা নয়, যারা সাধারণত অনেক দিন ধরে নিজেদের কর্মসূত্রে বৈপরীত্য করে থাকেন। নাশকতার মামলায় আটক করা হয়েছে তাঁকে আর সে মামলার পরে তিনি আরও তিন দিন স্থানীয় পুলিশের হাজির থাকতে বাধ্য হবেন।

নাশকতার মামলার সংক্রমণ

নাশকতার মামলায় তিনি ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে নিজের স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথে নাশকতা করেছেন বলে অভিযুক্ত করা হয়। নাশকতার মামলার পরিচয় দেওয়া হয়েছে এটি ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে। নাশকতার মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর ইউপি চেয়ারম্যান মোলাকে এই ঘটনার বিপক্ষে বিশেষজ্ঞ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। নাশকতার মামলায় তিনি অবশ্য স্থানীয় ব্যবসায়িক দাবি প্রাপ্ত করতে সক্ষম হন। নাশকতার মামলার প্রধান সূত্র হল বৈপরীত্য বা অপরাধ করা হয়েছে তাঁর কাছে।

ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোলাকে নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে মামলার বিষয়টি তিনি অবশ্য স্বীকার করেছেন। নাশকতার মামলার সম্পর্কে তিনি পুলিশের সাথে আলোচনা করেছেন এবং পুলিশ তাঁর বিষয়টি অনুসন্ধান করেছে।

নাশকতার মামলায় এই গ্রেপ্তার ঘটনার পর স্থানীয় সমাজ তীব্র বিপক্ষ প্রকাশ করেছে। নাশকতার মামলার জন্য তাঁকে এই সরকারের প্রতি বিশ্বাস ক্ষীয়মান হয়েছে। নাশকতার মামলায় এটি আরও একটি সূত্র যে স্থানীয় কর্মকর্তারা অনেক সময় বৈপরীত্য করে থাকেন। নাশকতার মামলার ক্�

Leave a Comment