টোরি পেনসো: পুরুষদের ফুটবলে নারী রেফারি
ট র প নস – ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘এ’ ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টার মার্সিডিজ–বেনজ স্টেডিয়ামে চেকিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে খেলা সমাপ্ত হয়েছিল ১-১ গোলে। কিন্তু এই ম্যাচটি বিশ্বকাপের ইতিহাসে স্থান পায় আরও একটি কারণে—মাঠের নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন মার্কিন রেফারি টোরি পেনসো।
প্রথম নারী রেফারি হিসেবে ফিফা মঞ্চে নাম লেখা
টোরি পেনসোর জন্ম ১৯৮৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় হয়েছিল। তিনি ছোট বয়সেই রেফারিং করতে শুরু করেন এবং ১৪ বছর বয়সে কর্ম শুরু করেন। ২০২০ সালে তিনি মেজর লিগ সকার (এমএলএস) এর একটি প্রধান ম্যাচ নির্দেশনা করেন। এটি তার বিশ্বকাপের অপেক্ষা বেশি সময় পর প্রথম নারী রেফারি হিসেবে মার্কিন সর্বোচ্চ ফুটবল লিগে ম্যাচ পরিচালনা করার কৃতিত্ব অর্জন করে।
ফিফার সাফল্যের নিশানা
২০২১ সালে ফিফা আন্তর্জাতিক রেফারি তালিকায় টোরি পেনসোকে অন্তর্ভুক্ত করে। ওই বছর তিনি পুরুষদের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ পরিচালনা করে নতুন ইতিহাস স্পর্শ করেন। প্রতিযোগী মঞ্চে নারী রেফারি অংশগ্রহণ বৃদ্ধির প্রয়োগে তিনি সেই প্রচেষ্টার অন্যতম প্রতিক হয়ে ওঠেন। ২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ফিফা ওম্যান ওয়ার্ল্ডস কাপে তিনি সেমিফাইনাল এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অংশ নেন। পরবর্তীতে তাকে স্পেন ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার ফাইনাল পরিচালনার দায়িত্ব দেয় ফিফা।
“ফাইনালের জন্য তিনিই ছিলেন সেরা পছন্দ,” বলেছিলেন ফিফার রেফারি কমিটির প্রধান পিয়েরলুইজি কলিনা।
২০২৬ বিশ্বকাপে টোরি পেনসো আবারও বিশ্ব মঞ্চের অংশ হন। তিনি পুরুষদের বিশ্বকাপ ম্যাচ পরিচালনা করা দ্বিতীয় নারী রেফারি হিসেবে নাম লেখান। এক সময় যেখানে নারী রেফারি বড় টুর্নামেন্টে অংশ নিতে দুর্দান্ত কাজ করতে হত, আজ তারা বিশ্বকাপের ফাইনাল পরিচালনা করছেন। তার বাড়াবাড়ি বাড়ানোর মূল কারণ তার তিন কন্যা। তিনি চান যেন ভবিষ্যতের মেয়েরা কোনো পেশাকে “শুধু পুরুষদের জন্য” বলে মনে না করে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
