ঝালকাঠিতে দেশি গরুতে আগ্রহী ক্রেতা
ঝ লক ঠ ত দ শ গর – ঝালকাঠি প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম ঝালকাঠির একটি পশুর হাটে সাজো সাজো হয়েছে। পবিত্র ঈদুল আজহার চারদিকে ঘনিয়ে আসছে। হাট গুলোতে ক্রেতারা আসতে শুরু করেছে গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার থেকে। মোট কয়েকদিন ধরে বিক্রিতে বেশি জমজমাট হয়নি কিন্তু ঈদের দিনে হাটের আগ্রহ খুব বেড়ে গেছে।
ঝালকাঠির সদর উপজেলা, নলছিটি, রাজাপুর ও কাঁঠালিয়াসহ বিভি�ন্ন উপজেলার হাট গুলোতে অনেক ক্রেতার উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। যারা গরু কিনতে এসেছেন তারা বেশির ভাগের দেশি গরু চাচ্ছেন। হাটে সামগ্রিকভাবে বিভিন্ন জাতের গরু উপস্থিত হয়েছে কিন্তু প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে ছোট ও মাঝারি আকারের দেশি গরুর দিকে।
ঝালকাঠি পৌর এলাকার একটি হাটে কথা হয় খামারি মো. বাদশা হাওলাদারের সঙ্গে। তিনি বলেন, “খামারিরা গত কয়েক মাস ধরে গরু পালনে বেশি খরচ করেছেন। গো-খাদ্য ও ওষুধের দাম বেড়ে গেছে। তাই ক্রেতারা বেশি দামে গরু কিনছেন।”
ঈদের আগে ক্রেতারা মুখ্যত বিপাকে পড়ছেন ভালো মানের গরু কিনতে। বিক্রেতারা অতিরিক্ত দাম চাচ্ছেন কিন্তু ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের জন্য গরু কিনতে হবে। জেলা প্রশাসন এ বছর হাট এলাকায় আইনশৃঙ্খলা সুনিশ্চিত করতে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের টহল খুব জোরদার করেছে। জাল টাকা শনাক্তকরণ ও চুরি-ছিনতাই প্রতিরোধের জন্য কর্মকর্তারা ব্যস্ত।
পশু প্রস্তুতি ও প্রাণিসম্পদ তথ্য
জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্যমতে এ বছর কোরবানির জন্য পশু চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ হাজার ২৩৪টি। খামারিরা মোট ৩০ হাজার ৫৮৮টি পশু প্রস্তুত করেছেন। এটি চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত ৩৫৪টি পশু রয়েছে।
অনুমান অনুযায়ী জেলায় মোট খামারের সংখ্যা ১ হাজার ৫৩৫টি। তার মধ্যে ১৬৩টি নিবন্ধিত এবং ১ হাজার ৩৭২টি অনিবন্ধিত। খামারি দের সুগন্ধি বাঁকি গরু পালনে নীরব বিপ্লব ঘটেছে। তারা প্রাকৃতিক ও বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া দ্বারা গরু হৃষ্টপুষ্ট করছেন।
“ঝালকাঠিতে পশু স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম মাঠে কাজ করছে।”
ঢাকা/অলোক/মাসুদ সম্পর্কিত বিষয়:
