কক্সবাজারে মানবপাচার বিপণিতে প্রধান চক্রের নেতা গ্রেপ্তার
কক সব জ র ম নবপ চ – কক্সবাজারে মানবপাচার চক্রের হোতা ছৈয়দুল হক ওরফে লেইঙ্গাকে আটক করা হয়েছে রামু থানার পুলিশের অপারেশনে। তিনি আন্তর্জাতিক মানবপাচার কারবারের অন্যতম সরঞ্জাম হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সাধারণত তিনি মানুষ আনুপাতিক বিনিময়ে কিনে আনুন সার্বিক পরিচয়ে আনুন কাজে ব্যবহার করেন। তার কাছে চাকরি করার আশায় নারী ও পুরুষ উভয় প্রকার মানুষকে বিক্রি করার জন্য মানবপাচার ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে।
পুলিশের অপারেশনে প্রধান চক্রের বিস্তার রোধ করা হয়েছে
কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা ছৈয়দুল হক নামক ব্যক্তিকে রামু থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তিনি মানবপাচার ক্রমাগত প্রসার ঘটানোর সাথে সাথে বিশেষ করে বাইরে চলা জনপ্রিয় করেছেন। কোন ক্রমাগত অপারেশনে তার কাছে কিনে আনা মানুষ এবং তাদের গৃহীত তথ্য একত্রে জামাল প্রকাশ করা হয়। এই অপারেশন মানবপাচার প্রসার রোধ এবং জনগণের জন্য বিপদের সম্ভাবনা কমিয়ে আনার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়েছিল।
গ্রেপ্তারকৃত ছৈয়দুল হক ছিলেন একজন বিশেষ করে অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তি। তাঁর সম্পর্কে অনেক ক্ষেত্রে অপরাধের ক্ষেত্র ব্যবহার করা হয়। তাঁর কাছে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সম্প্রতি জাতীয় মানবপাচার ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় একটি ক্রমাগত অপারেশনের মাধ্যমে। তার গ্রেপ্তার পর তার কারবার বন্ধ হয়েছে এবং তার বিপণিতে নেতা বলে পরিচিত ছিলেন।
মানবপাচার অপারেশনের আবেগ ও প্রক্রিয়া
তিনি ছিলেন বাইরে মানবপাচার কারবারের ক্রমাগত বৃদ্ধির প্রধান হোতা। অপারেশন বিশেষ করে তার পরিচয়ের তথ্য আবিষ্কার করা হয়। এই অপারেশনে অংশ গ্রহণ করে পুলিশ তার বিপণিতে অপরাধ চক্র বন্ধ করার সাথে সাথে কেন্দ্র কেন্দ্রিক করেছেন। মানবপাচার ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে বলে কথিত ছিল তার কাছে সাধারণত চাকরি করার আশায় বাইরে চলা ব্যক্তিদের সংগ্রহ করা হয়।
গ্রেপ্তার করা হয়েছে পুলিশের একটি অপারেশনে যেখানে তার কাছে নারী ও পুরুষ উভয় প্রকার মানুষকে বিক্রি করার কাজ চলছিল। তি�
