News

ঈদের আগে মন্দায় কক্সবাজারের পর্যটন, হতাশ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

ঈদের আগে মন্দায় কক্সবাজারের পর্যটন, হতাশ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

ঈদ র আগ মন দ য় কক – কক্সবাজারে ঈদুল আজহার ছুটি শুরু হওয়া সত্ত্বেও সৈকতে ভিড় ছিল না। তারেকুর রহমান কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টে পর্যটন কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখেন। অনেক হোটেল এবং দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের নীরব অবস্থা দেখা গেছে।

পর্যটক কমে যাওয়ায় সৈকতকেন্দ্রিক ব্যবসায়ীদের চরম সংকট হয়েছে। ঘোড়ার মালিক ও ফটোগ্রাফারদের কাছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বিপদ দেখা গেছে। সাধারণত এই সময়ে পর্যটকের ভিড় থাকে। কিন্তু এবার সৈকতের প্রতিটি পয়েন্টে নীরবতা ছড়ানো রয়েছে।

আলোকচিত্রী আনোয়ার হোসেন জানান, এই মৌসুমে বর্তমানে তিনি কোনো আয় ছাড়া সময় কাটাচ্ছেন। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এহসান উল্লাহ বলেন, এটি তাদের প্রধান আয়ের সময়। ব্যবসা না থাকায় পরিবার চালাতে ধার-দেনার ওপর নির্ভর করছেন তারা।

“অন্য বছর এই সময়ে সৈকতে পা ফেলার জায়গা থাকত না। সকাল গড়াতেই হাজার হাজার পর্যটকে মুখর হয়ে উঠত পুরো এলাকা। এবার দুপুর পর্যন্ত সৈকতে তেমন মানুষের দেখা মিলছে না।”

পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের দাবি, তীব্র গরম এবং জ্বালানির দাম বৃদ্ধি কারণে ভ্রমণপ্রবণতা কমেছে। কক্সবাজারে সৈকতে শামুক-ঝিনুক বিক্রি করা দোকানপাটগুলো ক্রেতাশূন্য রয়েছে। এ পর্যন্ত এই পরিস্থিতিতে মানুষের ভ্রমণের সুযোগ কমে গেছে।

হোটেল মোটেল গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার জানান, ঈদ উপলক্ষে হোটেল কক্ষে কোনো ছাড় দেওয়া হয়নি। ইতোমধ্যে ৬৮ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়েছে। এটি আরো বাড়বে দুয়েকদিনের মধ্যে।

জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভ্রাম্যমাণ আদালতগুলো মাঠে সক্রিয় থাকবে বলেও জানান তিনি।

পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ট্যুরিস্ট পুলিশ সদস্যরা সার্বক্ষণিক টহল টিম পাঠানো হয়েছে। কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টের পাশাপাশি ইনানী, হিমছড়ি ও পাটোয়ারটেক এলাকাতে দুশ্চিন্তা দেখা গেছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্যরা নিরাপত্তার জন্য সাদা পোশাক পরে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে পর্যটন খাতের উন্নয়ন মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করছে সরকার।

Leave a Comment