Uncategorized

আমাদের একজন ‘মিয়া ভাই’ ছিলেন

আমাদের একজন ‘মিয়া ভাই’ ছিলেন

আম দ র একজন ম য় ভ – বিনোদন ডেস্ক থেকে আসা খবর অনুযায়ী, ফারুক হোসেন পাঠান নামে পরিচিত সিনেমার তারকা তার সাজে শোভা করেছেন গ্রামীণ মানুষের অনন্য কথাগুলো। তিনি প্রতিবাদী প্রতিনিধিত্ব করেছেন কখনো তীব্র ভাবে, কখনো নিঃশব্দ স্বরে। একজন সাদামাটা কৃষক হিসেবে ক্যামেরার সামনে আত্মপ্রকাশ করেন এবং তার চোখের ভাষায় মানুষের হৃদয়ের আবেগ স্থান পেয়েছিল।

শুরু থেকে গ্রাম থেকে শহরে

ফারুক হোসেন পাঠান জন্ম নেন গাজীপুরের কালিগঞ্জে। বেশি দিন সেখানে থাকেননি তিনি এবং রাজধানীতে পরিবারের সাথে পাড়ি জমান। পুরান ঢাকার মানুষের আবেগ ও সংগ্রাম তার অভিনয়ের মাধ্যমে জীবনে একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে ওঠে। সেখানে তিনি পরিচালক এইচ আকবর, এ টি এম শামসুজ্জামান, প্রবীর মিত্রর সংস্পর্শে আসেন। এই শিল্পীরা তার আবেগ ও অভিনয়ের গুণে সম্পূর্ণ সিনেমার পর্দার দিকে ঝুঁকে পড়েছিলেন।

যেহেতু পুরান ঢাকার লালকুঠিতে নাটক মঞ্চস্থ হতো, তারা সেখানে অনুষ্ঠানে আড্ডা দিতেন নির্মাতারা ও অভিনেতারা। তিনি সেখানে মানুষের প্রতিনিধিত্ব করেছেন এবং বিভিন্ন অঞ্চলের সংস্কৃতি ও ভাবধারার সম্পূর্ণ আয়তন তার সিনেমায় উপস্থিত হয়েছিল। এই সময় থেকে তার ক্যারিয়ারের ভারসাম্য জন্ম হয়।

উন্মুক্তি থেকে শুরু সিনেমার যাত্রা

ফারুক তার সিনেমার প্রবেশ করেন ১৯৭১ সালে এইচ আকবর পরিচালিত ‘জলছবি’ চলচ্চিত্রে। যদিও আলোচনায় তার আবেগময় অভিনয় ছিল ‘সুজন সখী’ সিনেমার মাধ্যমে, সেটি মুক্তি পায় ১৯৭৫ সালে। তার সংবেদনশীলতা ও আবেগ সিনেমার পর্দায় বিশেষ স্থান অধিকার করে।

১৯৭৮ সালে তার নায়ক হিসেবে আবেগময় পর্দা সৃষ্টি করেন ‘সারেং বউ’ সিনেমায়। এ সময় তিনি গ্রামীণ সংস্কৃতির প্রতিনিধি হিসেবে নায়ক হিসেবে আকাঙ্ক্ষার প্রতি প্রতিশ্রুতি জন্ম দেন। বর্ষের সংখ্যা ও চলচ্চিত্রের নাম ব্যবহার করে তার শীর্ষ কাজগুলো মনে রাখা যায়: ‘লাঠিয়াল’, ‘আবির্ভাব’, ‘লাল কাজল’, ‘নয়নমনি’ ও ‘সুজন সখী’।

তার গুণ সমাজের সাথে সম্পর্কিত

ফারুক কেবল সিনেমায় নয়, সমাজেও মিয়া ভাই হিসেবে চিহ্নিত ছিলেন। এ নাম সম্পূর্ণ সাংস্কৃতিক পরিচয় অনুসারে গ্রামীণ মানুষের আপন ভাই হিসেবে মনে হয়। তিনি আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘নয়নমনি’ সিনেমায় নয়ন চরিত্রে আবেগ প্রকাশ করেছেন যা বিশেষ স্বীকৃতি অর্জন

Leave a Comment