চাঁদাবাজ ও দখলদারদের ভোট দেবেন না
সংগঠনের প্রতিশ্রুতি ও মুখ্য সংগঠকের ভাষণ
চ দ ব জ ও দখলদ – সারজিস আলম, জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক, প্রকাশ্যে ঘোষণা করেছেন যে আপেক্ষিক ভবিষ্যতে লড়াইটি শাসক ও শাসিতের মধ্যে চলবে ন্যায় ও অন্যায়ের মধ্যে। চাঁদাবাজি ও দখলদারি রাজনীতি করে সেই লোকদের সাধারণ মানুষের ভোট দেয়া থেকে দূরে রাখতে চায়। এই মতবাদকে তিনি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমান শাসনের মধ্যে চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তিনি বলেছেন যে দখলদার ও চাঁদাবাজদের ভোটে দুর্বল করে তোলার জন্য তারা শাসকদের নির্বাচন করছে না। বর্তমান রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সংগঠন অনেকটা নিজেদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মনোনয়নে বাধা দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে।
“আগামী দিনের রাজনীতি করে চাঁদাবাজি ও দখলদারি বৃদ্ধি করছে। সাধারণ মানুষ বেশি হারিয়ে পড়ছে সেই ভোট দেওয়ার সুযোগ থেকে।”
বর্তমান সমস্যার চিত্র ও নির্বাচন কার্যক্রম
বর্তমানে বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও দখলদারি বাড়ছে অসামান্য পরিমাণে। রাজনৈতিক কার্যক্রমে ব্যাপক ভুগবে মানুষ যারা কোনো বৈধ ক্ষমতার দ্বারা বেশি নির্ভর করছে না। কার্যত সংখ্যাগুরু সংগঠনে এই মতবাদ প্রাকৃতিক কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করছে। তবে মানুষ এই প্রক্রিয়ায় নিজেদের মনোনয়ন করার সুযোগ বাড়িয়ে তোলার চেষ্টা করছেন তারা নিজেদের সংগঠন বাড়িয়ে রাখতে।
এই সমস্যার সামনে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে দুর্দান্ত পরিবর্তন আসছে। চাঁদাবাজি ও দখলদারি রাজনীতি বর্তমান সরকার ও বিরোধী দলগুলি দ্বারা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। প্রতিটি ভোট কার্যক্রমে এই প্রক্রিয়ায় সামিল হয়ে যাচ্ছে বৈধ ও অবৈধ ক্ষমতার মধ্যে। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টির দাবি হচ্ছে যে চাঁদাবাজি ও দখলদারি রাজনীতি বর্তমান সময়ে প্রাকৃতিক পরিবর্তন ঘটাতে পারে।
আরও দৃঢ়তর করে চাঁদাবাজি ও দখলদারি নির্বাচন কার্যক্রমে দুর্দান্ত প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে অবৈধ আয় বাড়ছে এই বিশেষ দলগুলির দ্বারা। সাধারণ মানুষ এই বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করছে প্রতিদিন। বর্তমান সময়ে দখলদার ও চাঁদাবাজ প্রক্রিয়া সামান্য পরিবর্তন না করে চলছে। সংগঠনের দাবি হচ্ছে যে নির্বাচনে সাধারণ মানুষ দখলদার ও চাঁদাবাজ প্রক্রিয়া থেকে স্বাধীন হবে।
নির্বাচন ব্যবস্থার পরিবর্তন ও ভোট প্রক্রিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রতিনিধিদের মতে বর্তমান ভোট প্রক্রিয়া অনেকটা বৈধ ক্ষমতার হাতে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। সাধারণ মানুষ নিজেদের ভোট দেওয়ার সুযোগ করে তোলার জন্য প্রতিটি ভোট কার্যক্রমে চাঁদাবাজি ও দখলদারি দুর্বল করে তোলা উচিত। তারা আপনার ভোট অপরিশোধিত করছেন এই প্রক্রিয়ায়।
সারজিস আলম বলেছেন যে চাঁদাবাজি ও দখলদারি বৃদ্ধি করলে সাধারণ মানুষ ভোট দেওয়া থেকে দূরে সরে যা�
