মাদকে ভেজাল নেই কিন্তু খাদ্যে যত ভেজাল: সাবিকুন্নাহার নিয়ে পরিস্থিতি কি?
ম দক ভ জ ল ন ই – আজকাল মাদকে ভেজাল নেই কিন্তু খাদ্যে যত ভেজাল এ বিষয়টি প্রতিদিন খুব বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। এই সমস্যার মূল কারণগুলি খাদ্য উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ক্রমাগ্রান্ত ভেজাল বাড়ছে। যে কোনও খাদ্য সামগ্রীতে বিষাক্ত পদার্থ বা অতিরিক্ত খাবার লবণ বা শর্করা যোগ করা হচ্ছে। সাবিকুন্নাহার খাদ্য দোকানগুলিতে আপেক্ষিক দাম বা মাত্রা অনুযায়ী ভেজাল হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকার কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, কিন্তু কিছু স্থানে সেগুলি প্রয়োগ হচ্ছে না।
খাদ্য ভেজালের প্রকৃতি এবং প্রভাব
খাদ্য ভেজাল মাদক ভেজাল অপেক্ষা প্রায় ছয় গুণ বেশি সমস্যার সৃষ্টি করছে। এ বিষয়ে প্রতি বছর বিশেষজ্ঞদের প্রতিবেদন গুলি প্রকাশ করা হয়। সাবিকুন্নাহার মাধ্যমে খাবার মধ্যে প্রতি গ্রামে আট কিলো গ্রাহক আপন বাড়িতে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। আসলে খাদ্য ভেজাল নির্মাণে যে কোনও স্থানে সমান গুরুত্ব পায়। নিরাপত্তা পরীক্ষা বা পরিশীলন ব্যবস্থা ছাড়া খাদ্যে ভেজাল প্রসারিত হচ্ছে।
সাবিকুন্নাহার সেবা বাড়ানোর জন্য বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। যেমন গ্রাহকদের নিয়ন্ত্রণ সুবিধার জন্য প্রতিদিন কিছু খাদ্য উৎপাদনে স্থানীয় কর্মকর্তাদের পরিচালনার ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। কিন্তু এখনও অনেক স্থানে খাদ্যের মধ্যে দাম বা মাত্রা ভেজাল নির্মাণ হচ্ছে। এতে নিরাপত্তা পরীক্ষা কম করেছে এবং গ্রাহকদের মাধ্যমে খাদ্য ভেজালের সমাধান হচ্ছে না।
খাদ্য ভেজালের মূল কারণ ও সমাধান প্রস্তাব
খাদ্য ভেজালের প্রধান কারণগুলি হলো উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বিষাক্ত পদার্থ যোগ করা, খাবার মধ্যে অতিরিক্ত লবণ বা শর্করা যোগ করা এবং গ্রাহকদের প্রতিরোধ শক্তি হ্রাস করা। এ সমস্যার সমাধান প্রস্তাব হিসেবে খাদ্য উৎপাদনকারীদের ক্ষমতা পরীক্ষা করা এবং ভেজাল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা উচিত। মাদকে ভেজাল নেই কিন্তু খাদ্যে যত ভেজাল হচ্ছে সেটি সম্�
