News

‘চোরাচালান ঠেকাতে ব্যর্থ হলে ওসি-ইউএনওর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা’

Table of Contents
  1. ‘চোরাচালান ঠেকাতে ব্যর্থ হলে ওসি-ইউএনওর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা’
  2. নতুন নীতির উদ্দেশ্য ও প্রয়োগ

‘চোরাচালান ঠেকাতে ব্যর্থ হলে ওসি-ইউএনওর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা’

চ র চ ল ন ঠ ক – বর্তমানে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক বিপর্যয় দূর করার সম্পূর্ণ ব্যর্থতা ঘটলে স্থানীয় প্রশাসনের উপর দায় নেওয়া হবে এমন নীতি ঘোষণা করেছেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। তিনি আরও বলেন যে চোরাচালান ঠেকানোর দায়িত্ব ওসি (ওপেন সীমান্ত কেন্দ্র) ও ইউএনও (উপ নির্বাহী কর্মকমিশন কেন্দ্র) কর্তৃপক্ষের উপর দেওয়া হয়েছে, কিন্তু তাদের ব্যর্থতা ঘটলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের কাছে দায়িত্ব বর্ধিত হবে। এ বিষয়ে তিনি আরও জানিয়েছেন যে চোরাচালান ও মাদক বিপর্যয় দূর করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের স্বাক্ষরিত ব্যবস্থা ছাড়া ওসি ও ইউএনও কর্তৃপক্ষকে দায়িত্ব নেওয়া হবে। এই নীতি আনুষ্ঠানিক করে চোরাচালান ঠেকানোর দায়িত্ব তুলে ধরা হয়েছে, যাতে প্রতিটি অপরাধ রোধে ব্যর্থতা হলে স্থানীয় প্রশাসনের উপর দায় নেওয়া হবে।

সীমান্ত এলাকার চোরাচালান সমস্যা

বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এর প্রতিকার হিসেবে ওসি ও ইউএনও কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতার দায়িত্ব স্থানীয় প্রশাসনের উপর চাপানো হবে। চোরাচালান ঠেকানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ক্ষমতা সীমিত হয়ে আসছে এবং সেই কারণে ওসি ও ইউএনও কর্তৃপক্ষ ব্যর্থতা ঘটলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের উপর দায় নেওয়া হবে। এই নীতির কারণে বর্তমান সময়ে চোরাচালান ও মাদক বিপর্যয় দূর করার জন্য স্থানীয় প্রশাসন আরও জোর দিয়ে প্রতিশোধ করবে।

“আমি জানাইছি যে চোরাচালান ও মাদক বিপর্যয় দূর করতে ওসি ও ইউএনও কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। যদি সেই ব্যর্থতা হয় তবে তা স্থানীয় প্রশাসনের উপর দায় নেওয়া হবে,” জানিয়েছেন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

নতুন নীতির উদ্দেশ্য ও প্রয়োগ

চোরাচালান ঠেকানোর জন্য ওসি ও ইউএনও কর্তৃপক্ষের উপর দায়িত্ব চাপানো হবে এমন নীতি প্রবাহিত হবে, যাতে সীমান্ত এলাকার বিশৃংখলতা কমানো সম্ভব হয়। এই নীতি অনুযায়ী ওসি ও ইউএনও কর্তৃপক্ষ যদি চোরাচালান রোধে কোনও ব্যবস্থা না নেন তবে তা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের জন্য প্রতিশোধ হিসেবে বিবেচিত হবে। এটি বর্তমান পরিস্থিতিতে চোরাচালান ও মাদক বিপর্যয় দূর করার জন্য একটি নতুন দিশা সূচিত করবে।

আরিফুল হক চৌধুরী এই নীতি ঘোষণার পর প্রশাসনের কর্মকর্তাদের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে যে চোরাচালান ঠেকানোর দায়িত্ব সঠিকভাবে পরিচালিত হবে। তিনি বলেন যে ওসি ও ইউএনও কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা হলে চোরাচালান রোধে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব বৃদ্ধি করা হবে। এই নীতি প্রয়োগের মাধ্যমে চোরাচালান ঠেকানোর জন্য সংস্থাগুলির ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে এবং বিশৃংখলতা কমানো সম্ভব হবে।

এই নীতির মূল উদ্দেশ্য হল চোরাচালান রোধে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি

Leave a Comment