রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাসিন্দাদের সরে আসার প্রক্রিয়া অবিলম্বে চালু
র ঙ ম ট ত প হ – রাঙামাটির প্রতিনিধি রাইজিংবিডি.কম বর্ণনা করেন যে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা পাহাড়ের পদদেশে বসবাসরত মানুষদের সরে আসার জন্য অপারেশন চালাচ্ছে। বৃষ্টির অব্যাহত চালো বর্ষণের কারণে রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় বসবাসরত মানুষদের দ্রুত স্থানান্তর করার জন্য প্রশাসন জোর জুতি বাড়িয়েছে।
বর্তমানে শিমুলতলী, রূপনগর, নতুনপাড়া, যুব উন্নয়ন এলাকা, রিজার্ভ বাজার, ভেদভেদি, লোকনাথ মন্দির সহ বিভিন্ন জায়গায় অনেক পরিবার বসবাস করছে। এসব এলাকার অনেকগুলোতে অতীতে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। রাঙামাটি পৌরসভার সদস্যরা পাহাড়ের ঢাল ও পাদদেশে বসবাসরত মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছেন।
যদি অতি ভারী বর্ষণ শুরু হয় কিংবা পাহাড়ধসের ঝুঁকি আরো বৃদ্ধি পায়, তাহলে আমরা প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাব।” রাঙামাটি শহরের শিমুলতলী এলাকার বাসিন্দা নূর জামান তার ভাষায় জানান।
ঢাকা/শংকর/মাসুদ সম্পর্কিত বিষয় প্রসঙ্গে পরিচয় দেয়া হয়েছে। আবহাওয়ার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরতদের জীবন রক্ষার জন্য অপ্রয়োজনে পাহাড়ের ঢাল ও পাদদেশে অবস্থান না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
রাঙামাটি সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ আসলাম সারোয়ার জানান, সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় রাঙামাটি পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডে মোট ১১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। অতিক্রান্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালু রয়েছে।
এখনও এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি যে তাৎক্ষণিকভাবে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে হবে। তবে পরিস্থিতির আরও খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় সকাল থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে মাইকিং করা হচ্ছে।
