স ক চহ ন প রশ নের এক সংকোচহীন প্রতিভা
স ক চহ ন প রশ নের জগতে নাহিদ রানা এক নতুন ধারণা তুলে ধরেছেন। তিনি প্রশ্ন করেন যে প্রতিটি স্পর্শে সাহসের বাতাস ছড়িয়ে পড়ে। অভিজ্ঞ যাকে পান, তার কাছেই জানতে চান এটা-সেটা। প্রতিটি প্রশ্ন শব্দের অপেক্ষা বেশি সাহসের ছাপ ছড়ায়। এই সংকোচহীন উচ্চারণ দিয়ে নাহিদ তৈরি করেছেন এক নতুন ভাষা যেখানে প্রশ্ন করা দুর্বলতা নয়, বরং এটা সাহসের আরেক রূপ। প্রচলিত নীরবতাকে ভেঙে তিনি উঠে এসেছেন আলোচনার কেন্দ্রে। প্রশংসায় ভাসছেন, আলো ছড়িয়ে দিচ্ছেন নিজের মতো করে।
সাহসের সংকোচহীন যাত্রা
নাহিদ রানার উত্থানের প্রথম ধাপ রাজশাহীতে ক্রিকেটের ক্ষেত্রে প্রতিটি সংকোচহীন প্রশ্ন থেকে শুরু হয়। বাংলাদেশের ক্রিকেটের অভিজ্ঞ খেলোয়াড় মুশফিকুর রহিম তার সংকোচহীন প্রশ্নের স্রোত দেখে স্বাক্ষরিত বলেন, “নাহিদ রানাকে দেখে আমি বুঝেছিলাম তিনি ভবিষ্যতে দেশের হয়ে খেলবেন।” তার প্রতিটি মৌসুম প্রশ্নের আঁচ ছড়িয়ে দিয়েছিল। যে খেলোয়াড় নাহিদকে প্রথম দেখেছিলেন মুশফিকুর রহিম, সেই সময় তিনি কেবল চারটা ফোর ডের ম্যাচ খেলেছিলেন। কিন্তু তার পরে নাহিদের সংকোচহীন যাত্রাকে ধাপে ধাপে বাস্তবতার পরিচয় দিয়েছিল সময়।
“তখন থেকে ওর শেখার আগ্রহ অনেক বেশি ছিল। আবার কারোর হয়তো বা থাকে কিন্তু সে হয়তো বা নিজে থেকে ওটা বলতে চায় না। কিন্তু আমি নাহিদকে দেখেছি, কখনো সংকোচবোধ করতো না।” – মুশফিকুর রহিম
অভিজ্ঞতার প্রতিভা পর্যন্ত
সিলেট থেকে শুরু করে আলোচনার কেন্দ্রে পৌঁছতে নাহিদ রানার সংকোচহীন প্রশ্নের স্রোত ছিল নিয়মিত। মুশফিকুর রহিম আরও বলেন, “নাহিদের গ্রোথটা দেখে আমি কখনোই অবাক হইনি কারণ ওর যে এগিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল, এখনো আছে।” সিলেটে বসে তিনি তার গুনটিই দেখেছিলেন যে তিনি কোনো তরুণ ক্রিকেটার হিসেবে প্রশ্নের স্রোতে নতুন রূপ নিচ্ছেন। নাহিদের মতো প্রতিভা সংকোচহীন প্রশ্ন স্রোত দিয়ে জন্ম নেয়।
সংকোচহীন প্রশ্ন স্রোত ছিল নাহিদের প্রতিটি খেলার সাথে। প্রতিটি মৌসুম তার সংকোচহীন দৃষ্টিভঙ্গি বহন করে। যেখানে সাহসের সংকোচহীন সম্পর্কে গবেখান করা হয় এবং প্রতিটি প্রশ্ন পরিবর্তিত করে অগ্রগতি। সময়ের প্রচলিত ভদ্র নীরবতার বিরুদ্ধে তিনি আগ্রাসী হয়েছেন সাহসের স্রোতে। এই অদম্য আগ্রহ ছিল নাহিদ রানার যাত্রার প্রতিটি পর্যায়ে।
বিশ্বাসের বিশ্বতি পর্যন্ত
মুশফিকুর রহিমের বিশ্বাস নাহিদ রানার সংকোচহীন প্রশ্নের স্রোত দিয়ে অগ্রগতি ঘটেছে। তার দেখা সম্ভাবনার বীজ অঙ্কুরিত হয়ে সাহসের বাস্তবতা হিসেবে প্রকাশিত হচ্ছে। এই বিশ্বাস ছিল কোনো একজন খেলোয়াড়ের মূল্যায়নের চেয়া বেশি সংকোচহীন প্রশ্নের স্রোতে। যে তরুণ ক্রিকেটার নাহিদ রানাকে দেখেছিলেন, সেই সময় তার গ্রোথটা অত্যন্ত স
