পরিবেশ দূষণ রোধে সবাইকে অংশগ্রহণ করতে হবে
জনসাধারণের সহযোগিতা ছাড়া পরিবেশ সংকট কাটা কাটাই যাবে না
পর ব শ দ ষণ র ধ – পর ব শ দ ষণ রোধে সবাই অংশগ্রহণ করতে বাধ্য হবে। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও বন ও পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, জনসাধারণের সচেতনতা ও কর্মকান্ড ছাড়া কোনও পরিবেশ সংকট দূর করা সম্ভব নয়। বর্তমানে পরিবেশ দূষণ রোধে একটি সামগ্রিক পরিকল্পনা অবলম্বন করা আবশ্যক হয়ে আসছে যাতে সরকার ও সাধারণ মানুষ একত্রে কাজ করতে পারে। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, স্থায়ী পরিবেশ সংকট মোকাবেলার জন্য সরকার ছাড়াও নাগরিকদের হাতে দূষণ রোধের কাজ একটি অপরিহার্য গুরুত্ব প্রদর্শন করছে। পরিবেশ দূষণ রোধে সরকার স্তরে ব্যবস্থা গ্রহণ করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বচেতনতা এবং কর্মকান্ড বাড়ানো অপর গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। তিনি আরও বলেন, নগদ মানুষ যদি নিজেদের জীবন শৈলীতে পরিবেশ দূষণ রোধের উপর ভিত্তি করে কর্মসূচি প্রবর্তন করে, তবে এটি সামগ্রিক পরিবেশ সংকট কমানোর জন্য কার্যকর হবে।
পরিবেশ দূষণ রোধের স্বাক্ষর করা আমাদের জন্য অপরিহার্য
পরিবেশ দূষণ রোধে সবাই অংশগ্রহণ করতে বাধ্য হবে এ প্রসঙ্গে মিন্টু স্পষ্ট করে বলেন, একটি স্থায়ী পরিবেশ সংকট মোকাবেলার জন্য কেবল সরকারের দৃঢ় কার্যক্রম ছাড়া নাগরিকদের অংশগ্রহণ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, নগদ মানুষ যদি নিজেদের জীবন শৈলীতে স্বাক্ষর করে, তবে সম্পূর্ণ পরিবেশ দূষণ রোধের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে। উদাহরণস্বরূপ, একটি স্থানে গৃহীত সাধারণ মানুষের পরিবেশ দূষণ রোধের কর্মসূচি কেবল সরকারের আয়োজন ছাড়াও সম্পূর্ণ সামগ্রিক পরিবেশ সংকট দূর করার জন্য অপরিহার্য। এই ক্ষেত্রে পরিবেশ দূষণ রোধে সবাই অংশগ্রহণ করতে হবে এটি বাস্তবায়ন করতে হবে কারণ সমাজের সকল পর্যায়ে মানুষ দূষণের কারণ হিসাবে কাজ করছে।
পরিবেশ দূষণ রোধের জন্য সামগ্রিক পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ
পরিবেশ দূষণ রোধে সবাই অংশগ্রহণ করতে হবে এ বিষয়ে মিন্টু স্পষ্ট করে বলেন, সরকার ও নাগরিকদের সহযোগিতা ছাড়া কোনও পরিবেশ দূষণ রোধের কাজ সম্পূর্ণ হবে না। তিনি বলেন, সামগ্রিক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে যাতে সরকার ও সাধারণ মানুষ একত্রে পরিবেশ দূষণ রোধের কর্মসূচি প্রবর্তন করতে পারে। এর মধ্যে বন ও পরিবেশমন্ত্রী মিন্টু আগ্রাসী ভাষায় একটি প্রস্তাব ঘোষণা করেন যে সবাই পর
