Uncategorized

নজর কাড়ছে ৪০ মণ ওজনের ‘ঠান্ডা ভোলা’

নজর কাড়ছে ৪০ মণ ওজনের ‘ঠান্ডা ভোলা’

যশোরের ফুলেরগাতী গ্রামে একটি বিশেষ ষাঁড় বিক্রির জন্য প্রস্তুত

নজর ক ড়ছ ৪০ মণ ওজন র – নজর কাড়ছে ৪০ মণ ওজনের বিশেষ ষাঁড় রায় পরিবারের জন্য এখন বিক্রির জন্য সামনে রয়েছে। যশোরের অভয়নগর উপজেলার ফুলেরগাতী গ্রামে অবস্থিত এই খামারে প্রায় ৪০ মণ ওজনের ষাঁড়টি সবার জন্য একটি উৎসাহের মাধ্যম। মালিক প্রসেনজিৎ রায় এই ষাঁড়কে ‘ঠান্ডা ভোলা’ নাম দিয়েছেন, যা তাঁর প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং চারপাশের সামাজিক গুরুত্বের প্রতিশ্রুতি প্রতিফলিত করে। প্রসেনজিৎ রায় খামারের মালিক এবং ষাঁড়টির স্বামী হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জানান, ক্রেতারা তাঁর বাড়িতে আসতে হবে ষাঁড়টি দেখে দাম ঘোষণা করতে। দামের সংঘর্ষ হলে তিনি বিক্রি করবেন। গত বছর কোনও ভালো দাম পাওয়া যায়নি বলে ষাঁড়টি বিক্রি করতে পারেনি তিনি।

ঠান্ডা ভোলার বিশেষত্ব এতটা প্রাচুর্য হলে এটি বাজারে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। এই ষাঁড়টি যেমন ভূষি এবং খড় খায়, তেমনি পরিবারের সবার সমন্বয়ে এই ষাঁড়টি দিন-রাত পোষণ করা হচ্ছে। প্রসেনজিৎ রায় জানান, এবার ভালো দামে বিক্রি করতে আশা করছেন। এই বিষয়ে তিনি বলেন, স্থানীয় বাজারে এমন একটি ষাঁড় বিক্রি হলে সম্প্রদায় এবং স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে উত্সাহ বৃদ্ধি পেয়েছে।

“যারা কিনতে চান তারা বাড়িতে আসুন। দেখে দাম বলুন। মতে মিললে আমি বিক্রি করব,” বলেন প্রসেনজিৎ রায়।

৪০ মণ ওজনের ষাঁড় বাজারের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ

নজর কাড়ছে ৪০ মণ ওজনের ষাঁড় যেমন সাধারণ কৃষকদের প্রতি প্রভাব ফেলছে, তেমনি তার বিক্রি ঘটনার মাধ্যমে স্থানীয় গৃহস্থদের মধ্যে আনন্দ ছড়ানো হচ্ছে। এই ষাঁড়টি যেমন আপনার সামনে আসছে বাজারে তেমনি তার প্রতি স্থানীয় পরিবার খুব জোর দিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। এই সময়ে এটি একটি প্রতিযোগিতা হিসাবে কাজ করছে। বাজারে এই ওজনের ষাঁড়টি বিশেষ কারণে এখন প্রতিযোগিতা করছে। যেহেতু এটি মানদণ্ড সম্পূর্ণ মানে তার প্রতি উপস্থিত হচ্ছে।

এই ষাঁড়টি যে বিশেষ ওজনের মানদণ্ড পূরণ করছে তা বাজারে তার সম্মান নিশ্চিত কর

Leave a Comment