জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ২০ নেতাকর্মীর শাস্তি কমল, ১৬ জনকে অব্যাহতি
গণঅভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রলীগ নেতাদের পরিস্থিতি
জ ব ছ ত রল গ র – জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) গত কয়েক মাসে অনুষ্ঠিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান সংকটের পর ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে কার্যক্রম চালু করা হয়। এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক তদন্তের পর শিক্ষার্থীদের সাথে ঘটে যাওয়া হামলার দায়িত্ব বর্বর করে দুই শতাধিক ছাত্রলীগ কর্মী এবং নেতা প্রতিবেদন বা আপিলের মাধ্যমে সামনে আসে। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো দ্বারা তা উল্লেখ করা হয় যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটি দ্বারা সাধারণত উপরে প্রস্তাবিত শাস্তির পরিমাণ সংক্রান্ত নির্ধারণে সরাসরি ব্যবহার করা হয়েছিল। কিন্তু আপিলের মাধ্যমে সরাসরি শাস্তি কমানো হয়েছে এবং জাবি ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতা ও কর্মীর জন্য বিশেষ রূপে বিচার প্রক্রিয়া পরিবর্তিত হয়েছে।
প্রক্রিয়া ও নিষ্পত্তির বিস্তার
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্বারা আপিল প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়। তদন্ত কমিটি দ্বারা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কার্যক্রমের পরিমাণ কমানো হয়েছে। প্রতিটি ছাত্রলীগের নেতা ও কর্মী এবং সে গণঅভ্যুত্থান এর দায়িত্ব বর্বর করার কারণে বিভিন্ন আপিল প্রক্রিয়া অনুসন্ধান করা হয়। তাদের মধ্যে এক হাজার ছাত্রলীগ নেতা ও কর্মীর শাস্তি কমানো হয়েছে যারা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাথে জড়িত ছিল। আপিল বিচারে এদের মধ্যে সাড়ে চার শত জনের প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়।
আপিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এক হাজার নেতার মধ্যে ২০ জন ছাত্রলীগ কর্মী কম শাস্তি পেয়েছেন। এর মধ্যে কমপক্ষে ১৬ জন কর্মীকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন দ্বারা তাদের বিরুদ্ধে সংকট ঘটার দায়িত্ব বর্বর করা হয়েছে। এটি ছাত্রলীগের প্রতিটি কর্মীর পক্ষে অনুকূল সূচনা করে। সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতাদের প্রতিবেদনের কারণে তাদের শাস্তি কমানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতাদের প্রতিবেদন ও আপিল বিচারে বিশেষ রূপে তাদের ক্ষতিগুলো প্রতিক্রমণ করা হয়েছে। কার্যক্রম কমিটি দ্বারা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাদের মধ্যে অনেক বিশেষ রূপে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়েছে। এ সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্বারা আপিল বিচার করা হয়। তাদের মধ্যে সাধারণত আপিল গ্রহণের মাধ্যমে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কার্যক্রম পরিবর্তিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ কর্মীদের পরিস্থিতি পরিবর্তিত করার বিষয়টি এখন দুই শতাধিক ছাত্রলীগ কর্মীর কাছে প্রভাব ফেলেছে।
তদন্তের ফলাফল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাদের বিরুদ্ধে আপিল প্রক্রিয়া পরিবর্তিত করে। ব
