ইনক্লুসিভ সমাজ চাই: সংস্কৃতিমন্ত্রী
প্রতিশ্রুতি এবং প্রতিক্রিয়া
ইনক ল স ভ সম জ চ – সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী স্পষ্ট ভাষায় জাহির করেছেন যে ইনক্লুসিভ সমাজ তৈরি করতে সরকার জুতো সামাজিক সমন্বয় ও সামাজিক সম্পর্কের বিকাশে অগ্রাধিকার দিবে। তিনি জানান যে ইনক্লুসিভ সমাজ চাই এ প্রস্তাব সবার জন্য সুবিধাজনক একটি জাতি ও ধর্মের মিশ্রণ সম্পন্ন সমাজের গঠনে সহায়তা করবে। সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেছেন যে বিভিন্ন সংস্কৃতি ও চিন্তাভাবনার মানুষ সমাজের নানা কোণায় থাকে এবং তাদের মধ্যে পরস্পরের সম্পর্ক মজবুত করে ইনক্লুসিভ সমাজ গঠন করা প্রয়োজন। এ ধরনের সমাজে সবার সমান অধিকার থাকবে এবং বিভিন্ন জাতি ও সংস্কৃতির মানুষ একত্রে মিশে গড়ে উঠবে।
“সমাজে বিভিন্ন চিন্তা-চেতনার মানুষ থাকে। আমরা বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণের, বিভিন্ন সংস্কৃতি, বিভিন্ন জাতিসত্তা সবার মাঝে ঐক্যবদ্ধ একটি ইনক্লুসিভ সমাজ চাই। আমাদের দেশে শান্তি চাই।”
মন্ত্রী এই ভাষণে বিশেষ করে বিশ্বাস করেন যে সামাজিক সমন্বয় ছাড়া ইনক্লুসিভ সমাজের গঠন সম্ভব নয়। তিনি বলেছেন যে বিভিন্ন গোষ্ঠী ও মানুষের চিন্তাভাবনার মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করা সরকারের উপর অবিস্মরণীয় দায়িত্ব। এ গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব দেশের সমস্ত বিশিষ্ট গোষ্ঠীকে যুক্ত করতে প্রচেষ্টা করবে এবং তাদের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পর্ক প্রবর্দ্ধনের জন্য সুনিশ্চিত হবে।
সামাজিক সমন্বয়ের গুরুত্ব
ইনক্লুসিভ সমাজ গঠনের প্রক্রিয়াটি সংস্কৃতি মন্ত্রী একটি প্রাথমিক দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করেছেন। তিনি দাবি করেছেন যে বর্তমান সমাজে বিভিন্ন জাতি, ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষ একটি একক জাতি সম্পন্ন সমাজের প্রতিকূল হওয়া সম্ভব। তাই এই প্রস্তাবটি তাদের মধ্যে একত্র হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয়। এ নীতিগুলি আনুষ্ঠানিক ও অনুষ্ঠানিক পর্যায়ে সম্প্রসারণের প্রক্রিয়া দ্বারা সমাজে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটবে। ইনক্লুসিভ সমাজ গড়ে উঠতে সরকার প্রতিটি জাতি ও সংস্কৃতি বর্গকে অনুরোধ করবেন এবং তাদের মধ্যে আলোচনা করতে উৎসাহ দেবেন।
এ প্রস্তাবে বিশেষ করে বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষদের প্রতিক্রিয়া বিবেচনার জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রী সমাজের সর্বত্র সামাজিক সম্পর্কের গুরুত্ব উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন যে বর্তমান সময়ে ইনক্লুসিভ সমাজের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট। সামাজিক সমন্বয় ছাড়া দেশের ঐক্য ও বিশ্বা�
