মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে মাছ ধরার ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা
মধ যর ত শ ষ হচ ছ – সমুদ্রে ইলিশ এবং অন্যান্য সব ধরনের মাছ ধরার জন্য সরকার দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা আজ বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর কার্যত সমাপ্ত হবে। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সমুদ্রপরিচালনা কর্তৃপক্ষ এবং বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ জুড়ে সমুদ্র থেকে মাছ উদ্ধারের কাজ পুনরায় শুরু হবে। এটি সামুদ্রিক মাছ ধরার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কেন্দ্রীয় পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রকের পরামর্শে নির্ধারিত করা হয়েছিল। সম্প্রতি এই নিষেধাজ্ঞা সমাপ্ত হওয়ার পর প্রতিটি সামুদ্রিক কৃষক ও বাণিজ্য কর্মী আনন্দিত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
নিষেধাজ্ঞার প্রয়োগ ও সমাপ্তির প্রক্রিয়া
এই নিষেধাজ্ঞার শুরু হয়েছিল একটি সামুদ্রিক জীবন রক্ষা পরিকল্পনার অংশ হিসাবে, যার মাধ্যমে সমুদ্রে উপলব্ধ মাছ ধরার সময় বৃদ্ধি করার প্রচেষ্টা করা হয়েছিল। প্রতি দিন নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রতি সামুদ্রিক মাছ ধরার সময় সীমিত হয়েছিল। এই বিধি রাতে বাড়তি মাছ ধরার সময় প্রতি দিনের জন্য সীমিত করেছিল, যার ফলে মাছ ধরার সময় কমে গিয়েছিল। মধ যর ত শ ষ হচ ছ রাত ১২টা থেকে কার্যত সমাপ্ত হওয়ার পর প্রতিটি মাছ ধরার অপারেশন পুনরায় প্রারম্ভ হবে। সম্প্রতি এই নিষেধাজ্ঞা সমাপ্ত হওয়ার পর কৃষকদের বেশি মাছ ধরার সুযোগ পাবে।
সামুদ্রিক কৃষকদের প্রতিক্রিয়া ও ধারণা
মধ যর ত শ ষ হচ ছ পর সামুদ্রিক কৃষকদের একটি মুক্তির সংকেত হিসাবে মনে করা হচ্ছে। কিছু কর্মীদের মতে, এই নিষেধাজ্ঞা ছাড়া মাছ ধরার প্রচেষ্টা আরও উন্নত হতে পারে। তবে অনেকে এই সমাপ্তির পর মাছ ধরার সময় বৃদ্ধির কারণে প্রাকৃতিক সম্পদের অবনতি হতে পারে বলে চিন্তা করছেন। কিছু পরিচালনা কর্তৃপক্ষ সমুদ্রপরিচালনা কার্যক্রম পুনরায় পরিচালনা করেছেন, যার ফলে সম্প্রতি সামুদ্রিক কৃষকদের জন্য আনন্দের বিষয় হয়েছে।
সরকার এই নিষেধাজ্ঞা ছাড়া বেশি মাছ ধরার কাজ পুনরায় শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন। মন্ত্রিসভার একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই নিষেধাজ্ঞার ফলে মাছের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সমুদ্রে প্রতি কিলো মাছের মূল্য হ্রাস পেয
