১৯৬১ সালের তুলনায় ৬ গুণ বেশি মুরগির মাংস খাচ্ছে মানুষ
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার তথ্য প্রকাশ
১৯৬১ স ল র ত লন য় – ১৯৬১ সালের তুলনায় মুরগির মাংস সেই সময়ের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গি এখন বিশ্বব্যাপী আলোচনার মূল বিষয়। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সারাবিশ্বের মানুষ প্রতি ব্যক্তি মুরগির মাংসের গ্রহণ দ্বিতীয়া দশকে দ্বিগুণ হয়েছে। প্রাথমিক সালে সরবরাহ ছিল ৩ কেজির কম, কিন্তু আজকের সময়ে সেই সংখ্যা দ্বিতীয়া দশকে পৌঁছেছে ১৭ কেজি। এই বৃদ্ধি সূচিত করে যে প্রায় পঁচিশ বছরে মানুষের মুরগির মাংস খাওয়া অপেক্ষাকৃত বেশি করেছে এবং তার কারণগুলো গুরুত্বপূর্ণ। সামগ্রিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, মানুষ প্রতি বছর মুরগির মাংসের সরবরাহ কৃষি প্রক্রিয়া ও প্রযুক্তি বিকাশের কারণে গৃহীত হয়েছে। তবে এই হারে বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রকৃতির ক্ষতির প্রতি যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া আবশ্যক।
মাথাপিছু সরবরাহ এবং মাংস ব্যবহারের তুলনা
১৯৬১ সালের তুলনায় মাথাপিছু মুরগির মাংসের সরবরাহ শূকরের মাংসের তুলনায় কম হয়েছে বলে জাতিসংঘের তথ্য সূত্রে জানা যায়। যদিও শূকরের মাংস সরবরাহ দ্বিতীয়া দশকে দ্বিগুণ হয়েছে, কিন্তু মুরগির মাংসের বৃদ্ধি তার চেয়ে দ্রুত। অপরপক্ষে, গরুর মাংসের সরবরাহ পূর্বের মতো কম হয়ে আছে। তবে কৃষি ক্ষেত্রে মুরগির মাংস বৃদ্ধি হওয়ার কারণে এ ধরনের মাংসের ব্যবহার নিরন্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী মুরগির মাংস ব্যবহার দ্বিতীয়া দশকে প্রায় ছয় গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে যা এখন প্রতি ব্যক্তি প্রতি বছর ১৭ কেজি পর্যন্ত পৌঁছেছে। এই হারে বৃদ্ধির প্রতি যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন কারণ এটি জীবনযাপনের প্রকার ও কৃষি প্রক্রিয়া বদলের চিহ্ন।
১৯৬১ সালের তুলনায় মুরগির মাংস প্রতিবেদন অনুযায়ী গৃহীত হয়েছে এবং এটি জীবনযাপন ধারণা পরিবর্তনের প্রতিফলন হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি ব্যক্তি মাথাপিছু মুরগির মাংসের সরবরাহ বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রাথমিক সালে প্রতিবেদন অনুযায়ী জাতিসংঘের সংস্থার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দ্বিতীয়া দশকে মানুষের মুরগির মাংস ব্যবহার প্রায় ছয় গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কৃষি বিশ্বের বৃদ্ধি বৃদ্ধি বৃদ্ধি পরিচিত হয়। এই বৃদ্ধি প্রতিবেদন অনুযায়ী মানুষ প্রতি ব্যক্তি মুরগির মাংস খাওয়া বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তার দ্বারা দেখা যাচ্ছে প্রাথমিক সালে খাদ্য সংস্থার তথ্য প্রকাশের প্রতি আমাদের কী ধারণা রয়েছে।
খাদ্য ব্যবহার ও প্রকৃতির সম্পর্ক
১৯৬১ সালের তুলনায় মুরগির মাংস ব্যবহার দ্বিতীয়া দশকে বৃদ্ধি পেয়েছে যা প্রকৃতির জন্য সূচনা হিসেবে স্বীকৃত। মুরগির মাংসের বৃদ্ধি জীবনযাপন ধারণা পরিবর্তন এবং সমাজের প্রযুক্তি বিকাশের কারণে ঘ
