সিরাজগঞ্জে গরু চুরি ঠেকাতে স্থানীয় বাসিন্দারা রাতভর জেগে পাহারা দিচ্ছেন
স র জগঞ জ গর চ র – সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন গ্রামে বাসিন্দারা গরু চুরি রোধে রাতভর জেগে পাহারা দিচ্ছেন। কোরবানির ঈদের আগে গরু চুরি ও ছিনতাই বৃদ্ধির সূত্রপাত হওয়ায় স্থানীয়দের নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রধান ভরসা হয়ে উঠেছে বাঁশ দিয়ে তৈরি ঐতিহ্যবাহী বাঁশকল সংকেত।
ঈদের পূর্বে গরু চুরি ঘটনার ভয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলার গ্রামগুলোতে স্থানীয় বাসিন্দা এবং থানা পুলিশের একত্রে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। পালাক্রমে চলছে রাতভর পাহারা এবং সন্দেহজনক কোনো চারা চড়া দেখলে বাঁশকল শব্দ দ্বারা সকলকে সতর্ক করা হচ্ছে।
গত ৫ মে কামারখন্দ উপজেলার বড়কুড়া মালোপাড়া, ছোট কুড়া ও নান্দিনা কামালিয়া গ্রাম থেকে ৯টি গরু চুরি হয়েছিল। এর পর থেকে স্থানীয়দের সংগঠিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু হয়েছে যাতে চোরচক্রের আতঙ্ক কমে আসে।
“জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া অপরাধ দমন সম্ভব নয়। এই সংকেত ব্যবস্থার সাহায্যে নিরাপত্তা আরো শক্তিশালী হয়েছে।”
খামারি রুহুল আমিন বলেন, তার খামার থেকে দুটি গাভী ও একটি কোরবানির ষাঁড় হারিয়ে যাওয়ায় সাড়ে তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। অন্য কৃষক সাইফুল ইসলাম জানান, একটি গাভী, একটি বাছুর এবং একটি বকনা গরু চুরি হওয়ায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের ইউপি সদস্য লিটন শেখ বলেন, “গরু চুরি হওয়ায় সবাই আতঙ্কে আছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতার কারণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা দৃঢ় হয়েছে।”
যমুনার চর এলাকার খামারি সুমন শেখ জানান, কষ্টে বড় করা গরুগুলো নিরাপদ রাখতে তিনি নিয়মিত রাতের পাহারায় অংশ নিচ্ছেন। সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. নাজরান রউফ বলেন, জেলা পুলিশ মানুষের জানমাল রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে গরু চুরি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রত্যন্ত এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় খামারিরা চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। পাহারার সংকেত দ্বারা সবাই জেনে থাকে কোনো চারা চড়া হচ্ছে কিনা।
বাঁশকলের শব্দ মানে সম্পূর্ণ গ্রামের জন্য সতর্কতার প্রতীক। অপরাধ বা সন্দেহজনক ঘটনা দেখলে পুলিশকে দ্রুত জানানোর আহ্বান জানান সদর থানার অ
