সরকার আ.লীগের প্রেমে পড়েছে কেন?
সরক র আ ল গ র প – সরকার আ.লীগের প্রেমে পড়েছে এ সূত্রে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তার মতামত জানানোর পর এনসিপি কর্তৃক ঘোষিত তথ্যগুলো নিয়ে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংক দখল করে এস আলমের হাতে তুলে দেওয়ার এজেন্ডা নিয়ে সরকার বেশ উদ্যোগী হয়েছে, যার পরিণতি সুনির্দিষ্ট হতে চলেছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের প্রতি তাদের রাজনৈতিক প্রেম স্পষ্ট হয়ে উঠছে, যার ফলে তারা অবাধ সুযোগ পেয়েছে। নাসীরুদ্দীন সরকারের এই প্রক্রিয়াটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং তা কীভাবে রাজনৈতিক সম্প্রসারণের দিকে পরিচালিত হচ্ছে তা নিয়ে আলোচনা করেছেন। আওয়ামী লীগের সমর্থন গ্রহণের ফলে সরকার তাদের প্রতি স্থায়ী বিশ্বাস প্রকাশ করছে যা ব্যাংক দখলের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট হয়ে আসছে।
আওয়ামী লীগ কীভাবে ব্যাংক দখল করেছে?
বর্তমান সরকার দ্বারা ইসলামী ব্যাংক দখলের প্রস্তাব আওয়ামী লীগের বিরোধিতা এবং সমর্থন উভয় পক্ষের দিক থেকে প্রতিফলিত হয়েছে। দাবি করা হয়েছে যে ব্যাংক দখলের ফলে রাজনৈতিক গোলযোগ তৈরি হচ্ছে, যা বিপ্লবের আঙিনা খুলে দিয়েছে। সরকার আ.লীগের কী প্রকারের সমর্থন নিয়ে সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে তা নিয়ে এনসিপি প্রতিবেদনে স্পষ্ট ধারণা প্রকাশ করেছে। এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে যে সরকারের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অবাধ সুযোগের দিকে ঝুঁকে আছে, যার প্রভাব সামগ্রিক পরিবেশে পরিলক্ষিত হচ্ছে।
রাজনৈতিক অবাধ সুযোগ কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে?
“সরকার তাদের ছাড় দিয়ে রেখেছে, যাতে আওয়ামী লীগ স্বাধীন রাজনৈতিক সুযোগ পেয়ে সামনে বিপ্লব ঘটাতে পারে।” এ বক্তব্য নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দ্বারা বর্তমান সরকারের রাজনৈতিক দাবি প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি মনে করেন যে সরকার আ.লীগের প্রতি মনোযোগ কেন্দ্রিত করেছে যা অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো সম্পর্কে কম গুরুত্ব দিচ্ছে। ইসলামী ব্যাংক দখলের মাধ্যমে তারা আওয়ামী লীগের প্রতি স্থায়ী সমর্থন বিস্তার করছে এবং তার নেতাদের কম বিরোধিতা সৃষ্টি করছে।
সরকারের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আওয়ামী লীগ প্রতিদ্বন্দ্বীদের প্রতি অনেক স্বাধীন কর্মসূচি বাতিল করছে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইসলামী ব্যাংকের দখলের পর তারা অন্য দলগুলো হতে আরও বেশি সম্প্রসারণ ঘটাতে পারবে। এনসিপি প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে যে আওয়ামী লীগ এবং সরকারের সম্পর্ক অসাধারণ গভীর। সরকার �
