হাম ও উপসর্গে আরো ৪ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে দেশে, তার সাথে সম্পর্কিত নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ১৩৬ জন এবং নিশ্চিত হামরোগী শনাক্ত হয়েছে ৬৯ জন
হ ম ও উপসর গ আর ৪ – বৃহস্পতিবার (৪ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরো চারটি শিশু মৃত্যুবরণ করেছে। এর মধ্যে তিন জন শিশু হামের উপসর্গে মারা গেছে, আর একজন হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর আহ্বান করেছে। এ সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১,১৩৬ জন শিশু ও প্রতিদ্বন্দ্বী হামরোগী সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৯ জন। সামাজিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির দাবি করে প্রতিবেদনে জাহির করা হয়েছে যে দেশে হাম সংক্রমণের স্তর আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
হাম রোগের সামাজিক প্রভাব এবং চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা
হাম রোগ এখন পর্যন্ত প্রায় ১,১৩৬ জন কন্যা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এই দুর্দান্ত বৃদ্ধির পিছনে প্রাকৃতিক ও মানুষজনের সামাজিক অভ্যাসের ভূমিকা অসামান্য। শিশুদের ক্ষেত্রে হাম রোগ একটি প্রাণহারা আক্রমণ হিসাবে বিবেচিত হয়, যেহেতু তাদের অ্যান্টিবডি প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। করোনাভাইরাস দ্বারা কারণ হওয়া হাম রোগ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ৬১,১৯৪ জন কন্যা। তার মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫৭,৪৩২ জন।
এই দুর্দান্ত সংখ্যা দেখিয়ে হাম রোগ দেশে প্রতিদ্বন্দ্বী বৃদ্ধির সাথে সাথে পরিচালনা প্রয়োজন। মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এখন পর্যন্ত গৃহীত হয়েছে ৭৫,৭০৮ জন। এই সংখ্যা দেখিয়ে রোগ প্রায় ৯ হাজার ২৬০ জন নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। যদিও সামাজিক স্বাস্থ্য বিষয়ে জনসাধারণের চেতনা বৃদ্ধি হয়েছে, কিন্তু বিশেষ করে শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধা অসম্পূর্ণ।
বিশেষজ্ঞ মতামত এবং সরকারি বিবৃতি
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাম ও উপসর্গে আরো চারটি শিশুর মৃত্যুর সাথে সাথে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সম্পূর্ণ ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে। এই সময়ে মোট সন্দেহজনক হাম রোগী সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৫,৭০৮ জন, যেখানে নিশ্চিত হাম রোগী সংখ্যা বেড়েছে ৯,২৬০ জনে।
আরো পড়ুন: এই সময়ে মানুষজনের কাছে হাম রোগ সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। হাম রোগ কী এবং এর উপসর্গ কী কী হতে পারে? মার্চ থেকে জ�
